রুকইয়াহর সময় বারবার হাই তোলা: এর প্রকৃত ব্যাখ্যা কী

রুকইয়াহর সময় বারবার হাই তোলা: এর প্রকৃত ব্যাখ্যা কী

কুরআন তেলাওয়াত শোনার সময় হঠাৎ প্রচণ্ড হাই ওঠা, চোখে পানি আসা — অনেকে এটাকে জিন বেরিয়ে যাওয়ার প্রমাণ মনে করেন। আসল ব্যাখ্যা এবং কখন এটা স্বাভাবিক, কখন নয়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।

লিখেছেন হযরত মাওলানা আল আমিন · প্রকাশ · হালনাগাদ

রুকইয়াহ সেশনে বসে আয়াতুল কুরসি শোনার কিছুক্ষণের মধ্যেই একজন রোগী পরপর দশ-বারোবার প্রচণ্ড জোরে হাই তুলতে শুরু করলেন, চোখ দিয়ে পানি গড়াতে লাগল, শরীর একটু এলিয়ে পড়ল। পাশে বসা তাঁর মা তখনই বলে উঠলেন, ‘দেখলেন তো, জিন বের হচ্ছে!’ এই দৃশ্য রুকইয়াহ সেশনে খুবই পরিচিত, আর এই ব্যাখ্যাটাও সমাজে ব্যাপকভাবে প্রচলিত। কিন্তু বাস্তবতা একটু বেশি জটিল এবং সূক্ষ্ম — হাই তোলা সবসময় জিন বের হওয়ার প্রমাণ নয়, আবার এটা যে সম্পূর্ণ অর্থহীন একটা শারীরবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়া তাও নয়।

হাদীসে হাই তোলা ও শয়তানের সম্পর্ক

সহীহ বুখারীতে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন —

التَّثَاؤُبُ مِنَ الشَّيْطَانِ فَإِذَا تَثَاءَبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَرُدَّهُ مَا اسْتَطَاعَ
উচ্চারণ: আত-তাসাউবু মিনাশ শাইত্বান, ফাইযা তাসাআবা আহাদুকুম ফালইয়ারুদ্দুহু মাসতাত্বা’আ।
অর্থ: হাই তোলা শয়তানের পক্ষ থেকে আসে, তাই তোমাদের কেউ যখন হাই তোলে, সে যেন যথাসাধ্য তা রোধ করার চেষ্টা করে (সহীহ বুখারী)।

এই হাদীস থেকে প্রথম যে বিষয়টা স্পষ্ট হয়, তা হলো — সাধারণ, স্বাভাবিক জীবনযাপনেও হাই তোলাকে ইসলামে শয়তানের সাথে সম্পর্কিত করা হয়েছে, এটা শুধু রুকইয়াহর সময়ের জন্য বিশেষ কোনো ব্যাখ্যা নয়। প্রতিদিনের জীবনে ক্লান্তি, ঘুমের অভাব বা অলসতার কারণে যে হাই ওঠে, হাদীস অনুযায়ী তার সাথেও শয়তানের এক ধরনের সংযোগ আছে, কারণ হাই তোলার সাথে যুক্ত শিথিলতা ও অলসতা শয়তান পছন্দ করে। তাই রুকইয়াহর সময় হাই ওঠা মানেই বিশেষ কোনো ‘জিন বের হচ্ছে’ চিহ্ন — এই ধারণাটা হাদীসের মূল বক্তব্য থেকে কিছুটা বিচ্যুত।

তাহলে রুকইয়াহর সময় হাই তোলার অর্থ কী

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া ও ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) সহ ক্লাসিক্যাল রুকইয়াহ সাহিত্যে যেসব লক্ষণকে জিনের উপস্থিতির ইঙ্গিত হিসেবে ধরা হয়, তার মধ্যে অস্বাভাবিক, প্রবল ও অনিয়ন্ত্রিত প্রতিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ — শুধু সাধারণ হাই তোলা নয়। রুকইয়াহর সময় কিছু রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যায় হাই তোলার সাথে সাথে শরীর কাঁপতে থাকে, গলা থেকে অস্বাভাবিক শব্দ বের হয়, শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, চোখ উল্টে যায় বা রোগী নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এই ধরনের তীব্র, শারীরিকভাবে অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে অভিজ্ঞ রাক্বীরা জিনের উপস্থিতির সম্ভাব্য লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করেন। কিন্তু নিছক কয়েকবার হাই ওঠা, বিশেষ করে যদি তা মৃদু হয় এবং রোগী পুরোপুরি সচেতন ও স্বাভাবিক থাকেন, সেটা প্রায়শই স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

শারীরবৃত্তীয় ব্যাখ্যাও উপেক্ষা করা যায় না

চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে হাই তোলা মস্তিষ্কে অক্সিজেনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। রুকইয়াহ সেশনে সাধারণত রোগী চোখ বন্ধ করে বসে থাকেন, দীর্ঘক্ষণ স্থির হয়ে শোনেন, শরীর শিথিল হয়ে আসে — এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই হাই ওঠার প্রবণতা বাড়ে, ঠিক যেমন নামাজে দীর্ঘ কেরাত শোনার সময় বা লেকচার শোনার সময় হয়। এছাড়া মানসিক উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার কারণেও হাই তোলার প্রবণতা বাড়ে — রুকইয়াহ সেশনে আসার আগে অনেকেই এমনিতেই উদ্বিগ্ন থাকেন, ফলাফল নিয়ে চিন্তিত থাকেন, যা শরীরে একধরনের টেনশন তৈরি করে এবং হাই তোলার মাধ্যমে সেই টেনশন প্রকাশ পায়। তাই একজন সৎ রাক্বীর উচিত রোগীকে এই বাস্তবতা জানানো, যাতে তিনি প্রতিটা হাইকেই ভীতিকর কোনো চিহ্ন মনে না করেন।

আরেকটা বিষয় লক্ষণীয় — হাই তোলা সংক্রামক, অর্থাৎ একজনকে হাই তুলতে দেখলে আশপাশের মানুষও হাই তোলে। রুকইয়াহ সেশন যদি দলবদ্ধভাবে হয়, বা রোগীর সাথে পরিবারের একাধিক সদস্য উপস্থিত থাকেন, তাহলে একজনের হাই দেখে অন্যরাও হাই তুলতে শুরু করতে পারেন, যা সম্পূর্ণভাবে স্নায়ুতান্ত্রিক সংক্রামক প্রতিক্রিয়া, এর সাথে জিনের কোনো সম্পর্ক নেই। অনেক পরিবার এই দৃশ্য দেখে ভুল করে ভাবেন পুরো পরিবারের ওপরই বুঝি প্রভাব পড়েছে, যা সঠিক ব্যাখ্যা নয়।

কোন কোন প্রতিক্রিয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হয়

রুকইয়াহ অনুশীলনে সাধারণত নিচের প্রতিক্রিয়াগুলোকে হাই তোলার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হয়:

  • নির্দিষ্ট আয়াত শোনার সাথে সাথেই তীব্র ব্যথা শুরু হওয়া, বিশেষত মাথায়, পিঠে বা বুকে, যা তেলাওয়াত থামলে কমে যায়।
  • রোগীর কণ্ঠস্বর হঠাৎ পরিবর্তন হয়ে যাওয়া, অস্বাভাবিক ভারী বা অন্যরকম স্বরে কথা বলা।
  • নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে শরীর মোচড়ানো, খিঁচুনি, বা রুকইয়াহ বন্ধ করার জন্য জোর করে চেষ্টা করা।
  • নির্দিষ্ট আয়াতের প্রতি তীব্র বিতৃষ্ণা বা রাগ প্রকাশ পাওয়া, যা রোগীর স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এই লক্ষণগুলো ছাড়া শুধু হাই তোলা, চোখে পানি আসা বা সামান্য ঝিমুনি ভাব — এগুলোকে জিনের অস্তিত্বের একমাত্র প্রমাণ হিসেবে ধরে নেওয়া তাড়াহুড়ো সিদ্ধান্ত। দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু অসাধু ‘হুজুর’ বা কবিরাজ ঠিক এই সাধারণ প্রতিক্রিয়াকেই বড় করে দেখিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল চিকিৎসার নামে অর্থ আদায় করে থাকেন, যা থেকে সতর্ক থাকা জরুরি।

রাক্বীর দায়িত্ব ও রোগীর প্রত্যাশা

একজন দায়িত্বশীল রাক্বীর কাজ শুধু তেলাওয়াত করে যাওয়া নয়, বরং প্রতিটা প্রতিক্রিয়াকে বস্তুনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে রোগীকে সঠিক তথ্য দেওয়া। কোনো রাক্বী যদি প্রতিটি হাই তোলা বা চোখে পানি আসাকে বাড়িয়ে বলে রোগীকে ভীত করে তোলেন এবং তার ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি ব্যয়বহুল সেশনের প্রস্তাব দেন, সেটা নৈতিকভাবে আপত্তিকর। বিপরীতভাবে রোগীর নিজেরও বাস্তবসম্মত প্রত্যাশা রাখা জরুরি — প্রথম সেশনেই সব লক্ষণ থেমে যাবে, বা কোনো নাটকীয় দৃশ্য দেখা যাবে, এমন প্রত্যাশা রুকইয়াহর প্রকৃত প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বাস্তবে অধিকাংশ রুকইয়াহ সেশনই ধীর, শান্ত এবং দৃশ্যত অনাটকীয় হয় — আর সেটাই স্বাভাবিক।

রুকইয়াহর সময় হাই তোলা নিয়ে করণীয়

হাদীস অনুযায়ী হাই তোলার সময় যথাসাধ্য তা দমন করার চেষ্টা করা সুন্নাহ — মুখে হাত দিয়ে চেপে রাখা, জোরে শব্দ না করা। রুকইয়াহ সেশনের সময়ও এই সুন্নাহ মেনে চলা যায়। এর পাশাপাশি নিজে থেকে সূরা আল-ফালাক্বের প্রথম আয়াতটি নিয়মিত পাঠ করা যেতে পারে, বিশেষত ঘুমানোর আগে বা কোনো আধ্যাত্মিক অস্বস্তি অনুভব করলে —

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ
উচ্চারণ: কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক।
অর্থ: বলুন, আমি আশ্রয় চাই ঊষার প্রভুর কাছে (সূরা আল-ফালাক্ব, আয়াত ১)।

এই সূরাটি সম্পূর্ণ তেলাওয়াত করা, বিশেষত সকাল-সন্ধ্যার আমল হিসেবে নিয়মিত করলে, ধীরে ধীরে শরীর ও মনের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া কমে আসে বলে অভিজ্ঞ রাক্বীরা জানান। রুকইয়াহ সেশনে যাওয়ার আগে পর্যাপ্ত ঘুম, হালকা খাবার এবং শান্ত মানসিক অবস্থা নিয়ে যাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ক্লান্তি ও উদ্বেগ থেকেও অনেক প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে যা জিনের সাথে সম্পর্কিত নয়। যারা নিয়মিত সেশনে আসেন, তাদের জন্য সেশনের আগে অন্তত ছয়-সাত ঘণ্টা ঘুম এবং খালি পেটে না আসা — এই দুটো ছোট প্রস্তুতিই বহু ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক ক্লান্তিজনিত প্রতিক্রিয়া কমিয়ে দেয়।

নিজে বাসায় রুকইয়াহ করার সময়ও একই নীতি প্রযোজ্য — অতিরিক্ত ক্লান্ত অবস্থায় বা ঘুম থেকে উঠেই তেলাওয়াত শোনা শুরু করলে হাই ওঠা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মনে হতে পারে। বরং দিনের এমন একটা সময় বেছে নেওয়া ভালো যখন শরীর তুলনামূলক সতেজ থাকে, যাতে প্রতিক্রিয়া সঠিকভাবে বোঝা যায়।

পরিবারের সদস্যদের জন্য কিছু কথা

রুকইয়াহ সেশনে রোগীর পাশে বসে থাকা পরিবারের সদস্যদের প্রতিক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যখন কেউ হাই তোলে, তখন আশপাশের মানুষ যদি উদ্বিগ্ন মুখে একে অপরের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে ‘দেখলেন তো’ বলে ওঠেন, তাহলে রোগী নিজেও ভয় পেয়ে যান এবং তার শরীরে সেই ভয়ের প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র হতে পারে — এটা অনেকটা আত্মপূরণকারী ভবিষ্যদ্বাণীর মতো কাজ করে। তাই পরিবারের উচিত শান্ত থাকা, রোগীকে আশ্বস্ত করা এবং রাক্বীর পর্যবেক্ষণের ওপর আস্থা রাখা, নিজেরা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে না পৌঁছানো। শিশুদের ক্ষেত্রে এই বিষয়টা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ — একটা শিশু যদি বড়দের আতঙ্কিত প্রতিক্রিয়া দেখে, সে নিজের শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকেও ভয়ংকর কিছু বলে মনে করতে শিখে যেতে পারে, যা তার দীর্ঘমেয়াদি মানসিক গঠনে প্রভাব ফেলতে পারে।

কখন এটা নিয়ে চিন্তিত হওয়া উচিত

যদি হাই তোলার পাশাপাশি ওপরে উল্লেখিত তীব্র শারীরিক প্রতিক্রিয়াগুলো একসাথে দেখা যায়, অথবা প্রতিটি রুকইয়াহ সেশনেই একই প্যাটার্নে তীব্রতর প্রতিক্রিয়া বাড়তে থাকে, তখন একজন অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত রাক্বীর তত্ত্বাবধানে ধারাবাহিক সেশন চালিয়ে যাওয়া উচিত। তবে যদি হাই তোলা ছাড়া আর কোনো লক্ষণ না থাকে এবং রোগী অন্যদিকে সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করেন, তাহলে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার কিছু নেই। এছাড়া যদি কারো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হাই তোলার সাথে সাথে দিনের বেলাতেও প্রচণ্ড ঝিমুনি, ঘুম ঘুম ভাব বা হঠাৎ ঘুমিয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা যায়, তাহলে সেটা নার্কোলেপসির মতো ঘুমজনিত সমস্যার লক্ষণও হতে পারে, যার জন্য একজন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ প্রয়োজন।

সময় ও প্রত্যাশা নিয়ে বাস্তবতা

রুকইয়াহর প্রতিক্রিয়া প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে ভিন্ন হয়। কারো ক্ষেত্রে কয়েকটি সেশনের মধ্যেই প্রতিক্রিয়া কমে আসে, কারো ক্ষেত্রে মাসের পর মাস লাগে, আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় আসলে কোনো জিনের প্রভাবই ছিল না, শুধু ক্লান্তি বা মানসিক চাপ থেকেই প্রতিক্রিয়া হচ্ছিল। কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যক সেশনের পর নিশ্চিত সুস্থতার প্রতিশ্রুতি বাস্তবসম্মত নয়। এখানে এটাও মনে রাখা জরুরি, রুকইয়াহ কোনো জাদুকরী চটজলদি সমাধান নয়, বরং কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক একটা ধারাবাহিক আধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া, যেখানে নিরাময়ের প্রকৃত মালিক একমাত্র আল্লাহ তা’আলা। কোনো তাবিজ, পাল্টা জাদু বা প্রচলিত তদবির-শাস্ত্রের কোনো আমল এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।

যদি রুকইয়াহ সেশনে বারবার হাই তোলা নিয়ে আপনি বিভ্রান্ত থাকেন এবং প্রকৃত অবস্থা যাচাই করতে চান, আল-শিফায় অভিজ্ঞ রাক্বীদের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত ও জরুরি — দুই ধরনের সেশনেরই ব্যবস্থা আছে, যেখানে প্রতিটি প্রতিক্রিয়া গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে পরবর্তী পরামর্শ দেওয়া হয়।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন · রুকইয়াহ শারইয়্যাহ সার্টিফিকেট কোর্স

আরও পড়ুন

https://alshifa.bd/blog/excessive-yawning-during-ruqyah-explained


নিরাময় একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে। রুকইয়াহ চিকিৎসার বিকল্প নয়, বরং সহায়ক। শারীরিক বা মানসিক উপসর্গে চিকিৎসকের পরামর্শও নিন।

© আল-শিফা · alshifa.bd · ফেসবুক পেজ