ওয়াসওয়াসাগ্রস্ত ব্যক্তির পরিবারের করণীয়

ওয়াসওয়াসাগ্রস্ত ব্যক্তির পরিবারের করণীয়

পরিবারের কেউ বারবার অজু করছেন, নামাজে অতিরিক্ত সময় নিচ্ছেন বা একই প্রশ্ন বারবার করছেন? ওয়াসওয়াসাগ্রস্ত সদস্যকে বুঝতে ও সাহায্য করতে পরিবারের কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয় জানুন।

লিখেছেন হযরত মাওলানা আল আমিন · প্রকাশ · হালনাগাদ

প্রতি ওয়াক্ত নামাজের আগে একই দৃশ্য। স্বামী বাথরুমে ঢোকেন, দশ মিনিট, পনেরো মিনিট, কখনো বিশ মিনিট পার হয়ে যায়। স্ত্রী প্রথম প্রথম ভেবেছিলেন হয়তো পেটের সমস্যা, পরে বুঝলেন এটা প্রতিদিনের ঘটনা। শাশুড়ি একদিন বিরক্ত হয়ে বলে ফেললেন, ছেলেটার কি পাগলামি শুরু হলো, এত সময় নিয়ে অজু করে কেউ। পারিবারিক আড্ডায় দেবর হাসতে হাসতে বলে, ভাইয়া তো এখন হাফ মৌলভি হয়ে গেছে, সবাই মিলে হেসে ওঠে। এই কথাগুলো শুনে স্বামী আরও চুপচাপ হয়ে যান, লজ্জায় নিজের সমস্যাটা কারো সাথে শেয়ার করতে পারেন না, একা একা লড়াই করতে থাকেন। বাংলাদেশের অসংখ্য পরিবারে এই দৃশ্য পরিচিত, যেখানে ওয়াসওয়াসায় ভোগা একজন মানুষ পরিবারের অবুঝ প্রতিক্রিয়ায় আরও একা হয়ে পড়েন।

পরিবারের প্রতিক্রিয়া কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত মানুষ ইতিমধ্যেই নিজের সাথে একটা কঠিন লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, প্রতিদিন একই সন্দেহের সাথে একা লড়ছেন। এই মুহূর্তে পরিবারের সহানুভূতিশীল সাড়া তার জন্য একটা বড় আশ্রয় হতে পারে, আবার বিপরীতে অবজ্ঞা বা তামাশা তাকে আরও গভীর বিচ্ছিন্নতায় ঠেলে দিতে পারে। ইসলামে মুমিনদের একে অপরের প্রতি সহায়ক হওয়ার নির্দেশ এসেছে ঠিক এই ধরনের মুহূর্তের জন্যই, যেখানে একজন মানুষ কষ্টে থাকেন অথচ বাইরে থেকে তা বোঝা কঠিন।

আল মু'মিনু লিলমু'মিনি কালবুনয়ানি ইয়াশুদ্দু বা'দুহু বা'দান — অর্থ: একজন মুমিন আরেকজন মুমিনের জন্য একটা দালানের মতো, যার এক অংশ অন্য অংশকে মজবুত করে। (সহীহ বুখারী ও মুসলিম, আবু মূসা আশ'আরী রাঃ বর্ণিত)

এই হাদিসের ছবিটা স্পষ্ট, একটা দেয়ালের একটা ইট দুর্বল হলে পুরো দালানই ঝুঁকিতে পড়ে, কিন্তু পাশের ইটগুলো যদি শক্ত থাকে তাহলে দুর্বল ইটটাও ধরে রাখা যায়। পরিবারের একজন সদস্য যখন ওয়াসওয়াসায় দুর্বল হয়ে পড়েন, তখন বাকিদের দায়িত্ব তাকে আরও ভেঙে না দিয়ে বরং পাশে দাঁড়িয়ে ধরে রাখা।

যা কখনো বলবেন না বা করবেন না

  • তুমি এত বেশি চিন্তা কর কেন, স্বাভাবিক হও, এই ধরনের কথা বলে থামানোর চেষ্টা করবেন না, এতে সে আরও একা বোধ করে।
  • তোমার ঈমান কি দুর্বল হয়ে গেছে, বা তুমি কি পাগল হয়ে গেছ জাতীয় মন্তব্য একেবারেই করবেন না, এটা সরাসরি তার আত্মমর্যাদায় আঘাত করে।
  • আত্মীয়স্বজন বা মেহমানদের সামনে তার এই আচরণ নিয়ে হাসাহাসি বা গল্প করবেন না, এতে সে ভবিষ্যতে আরও লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করবে।
  • জোর করে তাড়া দিয়ে বা রাগ দেখিয়ে দ্রুত শেষ করতে বলবেন না, এতে উদ্বেগ কমার বদলে বরং বেড়ে যায় এবং সময় আরও লেগে যেতে পারে।

যা করবেন

ধৈর্য ধরে ও সহানুভূতির সাথে শুনুন, তাকে বুঝতে দিন তার এই সমস্যা তার নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং এতে লজ্জার কিছু নেই। জানিয়ে দিন হাদিসে এই ধরনের অবাঞ্ছিত চিন্তায় কষ্ট পাওয়াকে সুস্পষ্ট ঈমানের প্রমাণ বলা হয়েছে, দুর্বলতা না। তার সাথে বসে ফিকহের সহজ নীতিগুলো একসাথে জেনে নিন, যেমন নিশ্চিত অবস্থা সন্দেহের কারণে বাতিল হয় না, এবং এই নীতিগুলো দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগে তাকে সাহায্য করুন।

সময়সীমা নিয়ে আলোচনা, চাপ না দিয়ে

অজু বা গোসলে সময় বেশি লাগলে সরাসরি সমালোচনা না করে বরং একসাথে বসে একটা বাস্তবসম্মত সময়সীমা ঠিক করার প্রস্তাব দিন, যেমন পাঁচ মিনিট বা দশ মিনিট, এবং এই লক্ষ্য অর্জনে তাকে উৎসাহ দিন, প্রতিদিন সেই লক্ষ্যে পৌঁছালে প্রশংসা করুন। এই পদ্ধতি তাড়া দেওয়ার চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর, কারণ এখানে সিদ্ধান্তটা তার নিজের, বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া কিছু না।

শ্বশুরবাড়ি বা বৃহত্তর পরিবারের মন্তব্য সামলানো

নিজের ঘরে সহানুভূতি দেখানো একদিকে, কিন্তু শাশুড়ি, দেবর-ননদ বা প্রতিবেশীদের হাসিঠাট্টা আরেকদিকে, এই দুই জায়গায় ভারসাম্য রাখা কঠিন হয়ে পড়ে অনেক পরিবারে। যদি বৃহত্তর পরিবারের কেউ ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত সদস্যকে নিয়ে বিদ্রূপ করেন, তাহলে সরাসরি সেই মুহূর্তে বিষয়টা থামিয়ে দেওয়া জরুরি, নিরপেক্ষ থাকা বা চুপ করে থাকাটাও এক অর্থে সেই বিদ্রূপকে সমর্থন করা হয়ে দাঁড়ায়। স্বামী বা স্ত্রী হিসেবে শান্তভাবে বলা যেতে পারে, ওর একটা স্বাস্থ্যগত সমস্যা আছে, এটা নিয়ে হাসাহাসি না করাই ভালো। এই ছোট প্রতিরক্ষামূলক বাক্যই আক্রান্ত মানুষটির জন্য বিশাল একটা স্বস্তির উৎস হতে পারে, কারণ তখন তিনি বুঝতে পারেন তিনি একা নন, কেউ একজন তার পক্ষে দাঁড়িয়েছে।

যিনি সাহায্য করছেন তারও ক্লান্ত হয়ে পড়ার অধিকার আছে

যে স্ত্রী বা স্বামী প্রতিদিন সঙ্গীর ওয়াসওয়াসার সাথে মানিয়ে চলার চেষ্টা করছেন, তার নিজের হতাশ বা ক্লান্ত বোধ করাটাও স্বাভাবিক, এতে অপরাধবোধে ভোগার কিছু নেই। ক্রমাগত ধৈর্য ধরে রাখা মানুষেরও একটা সীমা থাকে, আর সেই সীমায় পৌঁছালে নিজের জন্যও একটু সময় ও সহায়তা খুঁজে নেওয়া দরকার, হোক তা বিশ্বস্ত কারো সাথে কথা বলা বা প্রয়োজনে নিজে একজন কাউন্সেলরের সাথে বসা। একজন ক্লান্ত, নিঃশেষিত সাহায্যকারীর পক্ষে দীর্ঘমেয়াদে ধারাবাহিক সহানুভূতি ধরে রাখা কঠিন, তাই নিজের যত্ন নেওয়াটাও এই পুরো প্রক্রিয়ার একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ, এতে কোনো স্বার্থপরতা নেই।

নামাজের সময় হাতে রেখে পরিবারের রুটিন সাজানো

যদি পরিবারে একাধিক মানুষ একই বাথরুম ব্যবহার করেন, তাহলে নামাজের সময় হাতে রেখে আগে থেকে পালা ঠিক করে নেওয়া দ্বন্দ্ব কমায়। যিনি ওয়াসওয়াসায় ভোগেন তাকে একটু আগে সুযোগ দিলে তার উপর তাড়াহুড়োর চাপ কম পড়ে, যা সন্দেহের তীব্রতা কমাতে সাহায্য করে।

রাব্বিশরাহ লী সদরী — অর্থ: হে আমার রব, আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দাও। (সূরা ত্বহা, আয়াত ২৫)

মূসা (আলাইহিস সালাম) কঠিন এক দায়িত্বের সম্মুখীন হয়ে এই দোয়া করেছিলেন, বুক প্রশস্ত হওয়া মানে ভেতরের চাপ কমে যাওয়া, উদ্বেগ হালকা হয়ে যাওয়া। এই দোয়া পরিবারের সবাই মিলে শেখা ও একসাথে নিয়মিত পাঠ করার অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে, বিশেষত ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত সদস্যের সাথে একসাথে বসে।

সন্তানের ক্ষেত্রে বাড়তি সংবেদনশীলতা

সন্তান যদি বারবার একই প্রশ্ন করে, আম্মু আমার কি গুনাহ হয়ে গেল, বা একই কাজ বারবার করতে থাকে, তাহলে তাকে বিরক্তির সাথে থামিয়ে না দিয়ে শান্তভাবে বুঝিয়ে বলুন এই চিন্তাগুলো তার দোষ না। একই সাথে প্রতিবার নতুন করে আশ্বস্ত করার বদলে ধীরে ধীরে তাকে নিজের সিদ্ধান্তে আস্থা রাখতে শেখান, কারণ প্রতিবার বাবা-মায়ের কাছ থেকে আশ্বাস চাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে সমস্যাকে আরও পোক্ত করে তোলে।

কখন পরিবার হিসেবে পেশাদার সাহায্য নেবেন

পরিবার হিসেবে কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ লক্ষ রাখা দরকার। প্রতিদিন অজু বা গোসলে পনেরো-বিশ মিনিটের বেশি সময় লাগা, এই কারণে নামাজ কাযা হয়ে যাওয়া বা অফিস-স্কুলে দেরি হওয়া, একই প্রশ্ন দিনে বারবার করা, ছোট ভুলেও তীব্র কান্না বা অপরাধবোধ, ঘুম বা খাওয়ায় প্রভাব পড়া, এই লক্ষণগুলোর একাধিক একসাথে দেখা দিলে বুঝে নিন এটা আর সাধারণ ধর্মীয় সতর্কতার পর্যায়ে নেই। যদি সমস্যা তীব্র হয়, দৈনন্দিন কাজে বাধা সৃষ্টি করে, নামাজ-অজুতে প্রতিদিন অস্বাভাবিক বেশি সময় লাগে, বা এই কারণে চাকরি, পড়াশোনা বা সংসারে সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে তাকে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে উৎসাহিত করুন এবং সম্ভব হলে সাথে করে নিয়ে যান। পরিবারের সঙ্গ পাওয়াটা অনেক সময় প্রথমবার ডাক্তার দেখানোর সিদ্ধান্তকে অনেক সহজ করে দেয়, কারণ একা একা এই পদক্ষেপ নেওয়া অনেকের কাছেই ভীতিকর মনে হয়। মনে রাখবেন, মানসিক স্বাস্থ্য চিকিৎসা নেওয়া মানে দ্বীনদারিতে ঘাটতি না, বরং শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য আল্লাহ প্রদত্ত চিকিৎসা মাধ্যম ব্যবহার করা।

একজন জ্ঞানী আলেমের সাথেও যোগাযোগ রাখুন

মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পাশাপাশি একজন সহানুভূতিশীল আলেমের সাথে পরিবারসহ কথা বলাও উপকারী হতে পারে, বিশেষত যিনি ভয় না দেখিয়ে ধৈর্য সহকারে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারবেন। এমন আলেম এড়িয়ে চলুন যিনি সমস্যাটাকে আরও জটিল করে তোলেন কড়া কথা বলে বা অতিরিক্ত ভয় দেখিয়ে, কারণ এই ধরনের প্রতিক্রিয়া ওয়াসওয়াসাকে প্রশমিত করার বদলে আরও উসকে দেয়। একজন ভালো আলেম চেনার সহজ উপায় হলো, তিনি ধৈর্য ধরে পুরো পরিস্থিতি শুনবেন, সহজ ভাষায় শরিয়তের নীতি বুঝিয়ে বলবেন, এবং প্রয়োজনে নিজে থেকেই মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেবেন।

ভাইবোনদের মধ্যে তুলনা এড়িয়ে চলুন

যদি একাধিক সন্তানের একজন ওয়াসওয়াসায় ভোগে, তাহলে তাকে অন্য ভাইবোনের সাথে তুলনা করে দেখো ও নামাজ কত সহজে পড়ে ফেলে, তুমি কেন পার না বলাটা এড়িয়ে চলুন। এই ধরনের তুলনা আক্রান্ত শিশুর মনে নিজেকে আরও ব্যর্থ ও একা মনে করার অনুভূতি তৈরি করে, যা তার সমস্যাকে সমাধানের বদলে আরও জটিল করে তোলে। প্রতিটা সন্তানের নিজস্ব গতি ও লড়াই আলাদা, এই সত্যটা মেনে নিয়ে এগোনোই বাস্তবসম্মত পথ, তুলনা না করে বরং প্রতিটা সন্তানের নিজস্ব অগ্রগতিকে আলাদাভাবে মূল্যায়ন করাই সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি।

দীর্ঘমেয়াদী ধৈর্য ও সমর্থন

ওয়াসওয়াসা থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি রাতারাতি আসে না, এই প্রক্রিয়ায় সপ্তাহ বা মাস লাগতে পারে। এই সময়ে পরিবারের ধারাবাহিক, শান্ত সমর্থনই সবচেয়ে বড় সাহায্য, একবার উৎসাহ দিয়ে তারপর ভুলে যাওয়া না, বরং প্রতিদিন ছোট ছোট অগ্রগতিকে স্বীকৃতি দেওয়া। যেমন, আজ অজু করতে আগের চেয়ে কম সময় লেগেছে লক্ষ করে সেটা মুখে বলে দেওয়া, এই ছোট স্বীকৃতিই আক্রান্ত মানুষটিকে বুঝিয়ে দেয় তার চেষ্টা কারো চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে না। উন্নতির গতি প্রত্যেকের ক্ষেত্রে ভিন্ন, কারো দ্রুত হয়, কারো ধীরে, এই পার্থক্যে হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধরে রাখাই আসল চাবিকাঠি। মাঝেমধ্যে পুরনো লক্ষণ ফিরে আসতে পারে, বিশেষত পরীক্ষার চাপ, অসুস্থতা বা পারিবারিক দুশ্চিন্তার সময়, এতে হতাশ হয়ে সব চেষ্টা বৃথা মনে করার দরকার নেই, বরং এটাকে সাময়িক পিছিয়ে যাওয়া হিসেবে দেখে আবার একই কৌশলে ফিরে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

সততার সাথে বলা প্রয়োজন

প্রশান্তি একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে, পরিবারের সমর্থন বা এই লেখার পরামর্শ তার বিকল্প না, আর এটি মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বা চিকিৎসকের পরামর্শেরও বিকল্প না। সমস্যা তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী হলে অবশ্যই একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যান। কোনো পাল্টা জাদু, তাবিজ বা তদবির-শাস্ত্রের বই থেকে নেওয়া আমলের প্রয়োজন নেই, পরিবারের ভূমিকা এখানে সহানুভূতি, ধৈর্য ও প্রয়োজনে সঠিক পেশাদার সহায়তার পথ দেখানো পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। একটা পরিবার যত বেশি শান্ত, ধৈর্যশীল ও তথ্যভিত্তিক পরিবেশ তৈরি করতে পারে, ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত সদস্যের পক্ষে সুস্থ হয়ে ওঠার পথ ততটাই সহজ হয়ে দাঁড়ায়।

পরিবারের কারো এই সমস্যা নিয়ে দিশেহারা বোধ করলে একা একা সিদ্ধান্ত নেওয়ার দরকার নেই। আল-শিফায় পরিবারসহ পরামর্শের জন্য নিয়মিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট ৪৯৯ টাকায়, জরুরি প্রয়োজনে রাত ৭টা থেকে ১১টার মধ্যে ৯৯৯ টাকায় ওয়েবসাইট থেকে বুক করা যায়, বাংলা কিউআরে পেমেন্টের পর হুজুরের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাওয়া যাবে।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন · রুকইয়াহ শারইয়্যাহ সার্টিফিকেট কোর্স

আরও পড়ুন

https://alshifa.bd/blog/family-guide-waswasa


নিরাময় একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে। রুকইয়াহ চিকিৎসার বিকল্প নয়, বরং সহায়ক। শারীরিক বা মানসিক উপসর্গে চিকিৎসকের পরামর্শও নিন।

© আল-শিফা · alshifa.bd · ফেসবুক পেজ