সুন্দর জিনিস দেখে হিংসা ও বদনজর এড়ানোর ইসলামিক আদব

সুন্দর জিনিস দেখে হিংসা ও বদনজর এড়ানোর ইসলামিক আদব

নিজেকে বদনজর থেকে বাঁচানোর পাশাপাশি নিজে যেন অন্যের বদনজর বা হিংসার উৎস না হয়ে উঠি, সেই ইসলামি আদব ও সাহল ইবনে হুনাইফের হাদিস থেকে শেখা শিক্ষা জানুন।

লিখেছেন হযরত মাওলানা আল আমিন · প্রকাশ · হালনাগাদ

ঈদের দিন নতুন জামা পরে ভাগ্নিকে নিয়ে খালার বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন রুমা। খালা দরজা খুলেই চিৎকার করে বললেন, "মাশাল্লাহ কি সুন্দর লাগছে দেখতে, একদম পুতুলের মতো!" — কিন্তু পাশের ঘর থেকে খালাতো বোন, যে নিজে সেবার নতুন জামা কিনতে পারেনি, একবার তাকিয়েই মুখ ফিরিয়ে নিলেন, কিছু বললেন না। সেই রাতেই ভাগ্নির শরীর গরম হয়ে গেল, সারারাত কেঁদেছে। রুমা পরে বুঝতে পেরেছিলেন, বদনজর নিয়ে বেশিরভাগ আলোচনা হয় কীভাবে নিজেকে বাঁচানো যায় তা নিয়ে, কিন্তু একটা প্রশ্ন প্রায় সবাই এড়িয়ে যান — নিজে অন্যের বদনজরের বা হিংসার উৎস হয়ে উঠছি কিনা।

ইসলাম এই দুটো দিকই সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে শিখিয়েছে। একদিকে নিজেকে রক্ষা করার দোয়া, অন্যদিকে নিজের অন্তরকে হিংসা থেকে পরিষ্কার রাখা আর অন্যকে অজান্তে ক্ষতি না করার আদব। এই দ্বিতীয় দিকটা নিয়েই খুব কম কথা হয়, অথচ এটা প্রথমটার চেয়ে কোনো অংশে কম গুরুত্বপূর্ণ না।

হিংসা থেকে বাঁচার জন্য যে সূরা নাযিল হয়েছিল

কোরআনের সবচেয়ে ছোট সূরাগুলোর একটা, সূরা আল-ফালাক্ব, সরাসরি হিংসা আর বদনজরের ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাওয়ার জন্য নাযিল হয়েছিল। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে এই সূরা ও সূরা আন-নাস পড়ে নিজের দুই হাতে ফুঁ দিয়ে সারা শরীর মুছে নিতেন (সহীহ বুখারী)। সূরাটার শেষ আয়াতে সরাসরি হিংসুকের হিংসা থেকে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে।

উচ্চারণ: "ওয়া মিন শাররি হা-সিদিন ইযা-হাসাদ।"
অর্থ: "এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।"
সূত্র: সূরা আল-ফালাক্ব, আয়াত ৫

লক্ষণীয় বিষয় হলো, এই আয়াতটা শুধু হিংসার শিকার হওয়া থেকে বাঁচার দোয়া না — বরং নিজের মনে হিংসার উদ্রেক হলে সেই মুহূর্তেও পড়া উচিত, যেন নিজের হিংসাটাও নিয়ন্ত্রণে থাকে আর অন্যের ক্ষতির কারণ না হয়ে ওঠে।

নিজের মুগ্ধতা থেকে বদনজর — কীভাবে এড়াবেন

কারো সন্তান, বাড়ি, গাড়ি, চাকরি বা কোনো অর্জন দেখে ভেতরে মুগ্ধতা তৈরি হলে সাথে সাথে মুখে "মাশাআল্লাহ" বা "বারাকাল্লাহু ফীক" বলার অভ্যাস করুন। এই একটা ছোট্ট অভ্যাসই অজান্তে বদনজর ফেলার ঝুঁকি বহুলাংশে কমিয়ে দেয়। মনে মনে প্রশংসা করলেও তা প্রকাশ করা উত্তম, কারণ হাদিসে এসেছে বদনজর সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃতভাবেও লেগে যেতে পারে, এমনকি খুব কাছের আপনজনের কাছ থেকেও। সাহল ইবনে হুনাইফ (রা.)-এর একটা বিখ্যাত ঘটনা এই বিষয়টা স্পষ্ট করে দেয়। তিনি একদিন গোসল করছিলেন, আর আমির ইবনে রাবীয়াহ (রা.) তাকে দেখে মুগ্ধ হয়ে বলে ফেললেন তিনি এমন সুন্দর গায়ের রং আগে দেখেননি — কিন্তু আল্লাহর নাম নিলেন না, বরকতের দোয়া করলেন না। কথাটা বলার সাথে সাথেই সাহল (রা.) মাটিতে লুটিয়ে পড়ে প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে গেলেন। খবর পেয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমিরকে ডেকে বললেন কেন সে বরকতের দোয়া করল না।

উচ্চারণ: "আলা বাররাকতা, আত-তুরকাতুল আইনু হাক্বক্ব।"
অর্থ: "তুমি কেন বরকতের দোয়া করলে না, নজর তো সত্যিই লেগে যায়।"
সূত্র: মুয়াত্তা মালিক ও মুসনাদে আহমাদ

এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নির্দেশ দিলেন আমির যেন গোসল করে, সেই পানি সাহলের গায়ে ঢেলে দেওয়া হয় — এভাবেই সাহল সুস্থ হয়ে ওঠেন। এই ঘটনা থেকে একটা জিনিস পরিষ্কার — ভালোবাসা থেকে করা প্রশংসাও যদি আল্লাহর নাম ছাড়া হয়, সেটাও ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই কাউকে প্রশংসা করার সময় শুধু "সুন্দর" বা "চমৎকার" বলাই যথেষ্ট না, সাথে "মাশাআল্লাহ" বা "বারাকাল্লাহু ফীহি" জুড়ে দেওয়াটাই আসল আদব।

হিংসা থেকে নিজের অন্তরকে পরিষ্কার রাখার আমল

অন্যের নিয়ামত দেখে মনে যদি হালকা ঈর্ষা বা মন খারাপের ভাব চলে আসে, সেটা সাথে সাথে চিনে নেওয়া প্রথম ধাপ। এরপর করণীয়:

  • সাথে সাথে ইস্তিগফার পড়ুন এবং মনে করুন, আল্লাহ প্রত্যেক বান্দার জন্য আলাদা পরিকল্পনা ও রিজিক রেখেছেন
  • যার প্রতি ঈর্ষা অনুভব হচ্ছে তার জন্য মুখে বা মনে মনে দোয়া করুন — এতে হিংসার শিকড় দুর্বল হয়ে আসে
  • নিজের জীবনে থাকা নিয়ামতগুলো নিয়ে শোকর আদায় করার অভ্যাস করুন, তুলনা করার প্রবণতা কমে আসবে ধীরে ধীরে
  • প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা সূরা ফালাক্ব ও নাস পড়ার অভ্যাস রাখুন, এটা নিজেকে হিংসুকের ক্ষতি থেকে এবং নিজের মনকে হিংসা থেকেও পরিষ্কার রাখতে সহায়ক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাড়তি সতর্কতা

ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে একটা ছবি পোস্ট করলে হাজারো অচেনা মানুষের চোখ সেই ছবির উপর পড়ে, যাদের মনের অবস্থা সম্পর্কে কিছুই জানা যায় না। এই বাস্তবতা বদনজরের ঝুঁকি স্বাভাবিকভাবেই বাড়িয়ে দেয় বলে অনেক আলেম আধুনিক প্রেক্ষাপটে উল্লেখ করেন। কারো পোস্ট দেখে মুগ্ধ হলে কমেন্টে লিখুন "মাশাআল্লাহ", শুধু মনে মনে প্রশংসা বা নীরব ঈর্ষা পুষে রাখবেন না। একইভাবে নিজের সন্তান, নতুন কেনা জিনিস বা অর্জনের ছবি পোস্ট করার সময় ক্যাপশনে "আলহামদুলিল্লাহ" লিখে শোকর প্রকাশ করার অভ্যাস করুন, বাড়িয়ে বলা বা গর্বসূচক ভাষা এড়িয়ে চলুন।

নিজের নিয়ামত প্রকাশে সংযম

নিজের সাফল্য, সম্পদ বা সৌন্দর্য অতিরিক্ত প্রকাশ্যে জাহির করা এড়িয়ে চলা শুধু বিনয়ের বিষয় না, বদনজর থেকে সুরক্ষার একটা ব্যবহারিক পদক্ষেপও। নবী ইয়াকুব আলাইহিস সালাম তাঁর ছেলেদের মিসরে প্রবেশের সময় নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন সবাই এক দরজা দিয়ে না ঢুকে আলাদা আলাদা দরজা দিয়ে প্রবেশ করে, কারণ বারো ভাই একসাথে দেখলে মানুষের দৃষ্টি একসাথে পড়ার আশঙ্কা ছিল (সূরা ইউসুফ, আয়াত ৬৭)। এই আয়াত থেকে আলেমরা একটা সাধারণ নীতি বের করেন — নিজের নিয়ামত নিয়ে অতিরিক্ত জাঁকজমকপূর্ণ প্রদর্শনী এড়িয়ে চলাটা নবীদের শেখানো প্রজ্ঞা, ভয় বা কৃপণতা না।

বাস্তবতা মেনে নেওয়া, তবে আতঙ্কিত না হওয়া

এর মানে এই না যে আনন্দ প্রকাশ করা যাবে না, বা সন্তানকে সুন্দর জামা পরিয়ে বাইরে বের হওয়া যাবে না। জীবনের ভালো মুহূর্তগুলো উদযাপন করা ইসলামবিরোধী কিছু না। শুধু প্রতিটা প্রশংসার সাথে আল্লাহর নাম জুড়ে দেওয়া, অতিরিক্ত প্রদর্শনী এড়ানো, আর নিয়মিত সুরক্ষার দোয়া পড়ে চলাটাই যথেষ্ট। কেউ যদি বারবার নিজের বা পরিবারের মধ্যে অস্বাভাবিক সমস্যা লক্ষ করেন, আর সন্দেহ হয় নিজের কোনো আচরণ বা প্রকাশের কারণে অন্যের মনে ঈর্ষা তৈরি হয়েছে কিনা, তাহলে এই লেখায় বর্ণিত আমলগুলো নিয়মিত চর্চা করে দেখা যেতে পারে। মনে রাখা জরুরি, প্রকৃত হেফাজত আসে একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে, কোনো তাবিজ বা কুসংস্কারভিত্তিক পদ্ধতি থেকে না — এখানে বর্ণিত প্রতিটা আমলই কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক, কোনো শিরকি চর্চা নয়।

সন্তানের প্রশংসা করার সঠিক ইসলামি পদ্ধতি

নিজের সন্তান নিয়ে গর্ব করা স্বাভাবিক একটা অনুভূতি, কিন্তু সেই গর্ব প্রকাশের ধরনে সতর্কতা জরুরি। আত্মীয়স্বজনের সামনে বারবার "আমার ছেলে তো ক্লাসে সবার সেরা", "আমার মেয়ের মতো সুন্দর মেয়ে এলাকায় নেই" জাতীয় বাক্য বলাটা শুধু বদনজরের ঝুঁকি বাড়ায় না, শ্রোতার মনেও একটা তুলনার চাপ তৈরি করে। এর বদলে সন্তানের ভালো দিক নিয়ে কথা বলার সময় "আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ যতটুকু দিয়েছেন তাতেই খুশি" জাতীয় ভাষা ব্যবহার করলে একই আনন্দ প্রকাশ পায়, অথচ অহংকার বা তুলনার সুর থাকে না। সন্তানের সামনে নিজে থেকেই তার জন্য বরকতের দোয়া করার অভ্যাসও গড়ে তোলা যায় — এতে সন্তান নিজেও বড় হয়ে একই আদব শিখে নেয়।

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর সাফল্যে হিংসা এড়ানো

অফিসে কোনো সহকর্মী পদোন্নতি পেলে বা প্রশংসিত হলে মনে একধরনের অস্বস্তি তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক না, বিশেষ করে নিজে একই পদের জন্য চেষ্টা করে থাকলে। এই অনুভূতিকে অস্বীকার না করে বরং চিনে নেওয়াই প্রথম কাজ। এরপর মুখে তাকে অভিনন্দন জানানো, "মাশাআল্লাহ, তোমার পরিশ্রমের ফসল" বলে স্বীকৃতি দেওয়া, আর মনে মনে নিজের জন্যও একই ধরনের সাফল্যের দোয়া করা — এই অভ্যাস ধীরে ধীরে হিংসার জায়গায় সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরি করে। ইসলামে হিংসা একেবারে নিষিদ্ধ, তবে "গিবতাহ" নামে একটা বৈধ অনুভূতির কথাও বলা হয়েছে — অন্যের নিয়ামত দেখে হিংসা না করে নিজের জন্যও একই রকম বা তার চেয়ে ভালো কিছু চাওয়া, যা হিংসার বিপরীত একটা সুস্থ প্রতিক্রিয়া।

প্রশ্নোত্তর — সাধারণ মানুষের মনে যা আসে

অনেকে জিজ্ঞেস করেন, "মাশাআল্লাহ" না বলে শুধু মনে মনে ভালো নিয়ত রাখলে কি চলবে না? উত্তর হলো, মনের নিয়ত অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু মুখে প্রকাশ করাটা একটা অতিরিক্ত সুরক্ষা স্তর তৈরি করে, কারণ এতে নিজের এবং অন্যের উভয়ের মনে আল্লাহর কথা স্মরণ হয়। আরেকটা প্রশ্ন প্রায়ই আসে — নিজে যদি কারো বদনজরের শিকার হয়ে থাকি বলে সন্দেহ হয়, তাহলে কি সেই ব্যক্তির প্রতি খারাপ ধারণা পোষণ করা ঠিক? এক্ষেত্রে ইসলামি আদব হলো, সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে দোষারোপ না করে বরং নিজের সুরক্ষার আমল বাড়িয়ে দেওয়া, কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বদনজর সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটে, ইচ্ছাকৃত জাদু বা ক্ষতির চেষ্টা থেকে না।

বিয়ে, আকিকা ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে সতর্কতা

বিয়ে, আকিকা বা জন্মদিনের মতো অনুষ্ঠানে একসাথে অনেক মানুষের দৃষ্টি একজন বা কয়েকজনের ওপর কেন্দ্রীভূত হয় — কনে-বর, নবজাতক, বা অনুষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দু যিনিই হোন। এই সময়টাতে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে অনুষ্ঠানের আগে ও পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জন্য সূরা ফালাক্ব-নাস পড়ে ফুঁ দেওয়া, সাজসজ্জা বা উপহার নিয়ে অতিরিক্ত প্রচার এড়ানো, আর অতিথিদের প্রশংসার সাথে "মাশাআল্লাহ" জুড়ে দেওয়ার অনুরোধ করা যেতে পারে। অনেক পরিবারে দেখা যায় নতুন কনে বা নবজাতককে নিয়ে অসংখ্য মানুষ ছবি তোলেন, দীর্ঘক্ষণ কোলে রাখেন — এই ধরনের দীর্ঘ প্রকাশ্য উপস্থিতি সীমিত রাখাটাও একটা বাস্তবসম্মত সতর্কতা।

নিজের কথাতেই কারো ক্ষতি হয়েছে বুঝলে কী করবেন

রুমার মতো অনেকে পরে বুঝতে পারেন, নিজের অজান্তেই হয়তো কারো ক্ষতির কারণ হয়ে গেছেন — কাউকে প্রশংসা করার সময় আল্লাহর নাম না নিয়ে, বা কারো নতুন কেনা জিনিস দেখে মনে মনে সামান্য ঈর্ষা পুষে। এই উপলব্ধি হলে অতিরিক্ত অপরাধবোধে ভোগার দরকার নেই, বরং তাৎক্ষণিকভাবে যাকে নিয়ে কথা বলা হয়েছিল তার জন্য বরকতের দোয়া করা, নিজে ইস্তিগফার পড়া, আর ভবিষ্যতে সতর্ক থাকার সংকল্প করাই যথেষ্ট। আমির ইবনে রাবীয়াহ (রা.)-এর ঘটনা থেকেও এটাই শেখা যায় — ভুল বুঝতে পারার সাথে সাথেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ মেনে সংশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, দোষারোপের পালা দীর্ঘায়িত করা হয়নি। এখান থেকে একটা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায় — সমাজে বদনজরকে ঘিরে অহেতুক ভয় বা একে অপরকে সন্দেহ করার সংস্কৃতি তৈরি না করে, বরং প্রতিটি পরিবারে খোলামেলাভাবে এই আদবগুলো নিয়ে কথা বলা এবং শিশুদেরও ছোট থেকে শেখানো যে কারো ভালো কিছু দেখলে মুখে কী বলতে হয়।

দীর্ঘদিন ধরে পরিবারে অস্বাভাবিক অশান্তি, অসুস্থতা বা ক্ষতি লেগে থাকলে এবং কোনো স্বাভাবিক কারণ খুঁজে না পেলে আল-শিফায় রুকইয়াহর জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া যায়। ওয়েবসাইট থেকে বুকিং করা যায়, নিয়মিত সিরিয়াল ৪৯৯ টাকা, রাত ৭টা থেকে ১১টার মধ্যে জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯ টাকায় সিরিয়াল পাওয়া যায়।

প্রতিটা নিয়ামত আল্লাহর পক্ষ থেকে — তা প্রকাশের সময় কৃতজ্ঞতা প্রকাশই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা, আর তা দেখার সময় বরকতের দোয়াই সবচেয়ে বড় আদব।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন · রুকইয়াহ শারইয়্যাহ সার্টিফিকেট কোর্স

আরও পড়ুন

https://alshifa.bd/blog/avoiding-envy-islamic-manners


নিরাময় একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে। রুকইয়াহ চিকিৎসার বিকল্প নয়, বরং সহায়ক। শারীরিক বা মানসিক উপসর্গে চিকিৎসকের পরামর্শও নিন।

© আল-শিফা · alshifa.bd · ফেসবুক পেজ