বাচ্চাদের পড়াশোনায় মনোযোগ বসানোর ইসলামিক উপায়

বাচ্চাদের পড়াশোনায় মনোযোগ বসানোর ইসলামিক উপায়

সন্তানের পড়াশোনায় মনোযোগ না বসার পেছনে ঘুম, স্ক্রিন টাইম বা এডিএইচডির মতো বাস্তব কারণ যেমন থাকে, তেমনি কখনো কখনো বদনজরও কারণ হতে পারে। মূসা (আ.)-এর দোয়াসহ কার্যকর সমাধান জানুন।

লিখেছেন হযরত মাওলানা আল আমিন · প্রকাশ · হালনাগাদ

সন্ধ্যা সাতটা, পড়ার টেবিলে বই খোলা পাতা চল্লিশ নম্বরেই আটকে আছে গত এক ঘণ্টা ধরে। মা রান্নাঘর থেকে দুইবার এসে দেখে গেছেন, ছেলেটা কলম হাতে বসে আছে ঠিকই, চোখ বইয়ের দিকে, কিন্তু মাথায় ঘুরছে বিকেলের খেলার মাঠ, নয়তো বন্ধুর নতুন মোবাইল গেম। কোচিং শিক্ষক ফোনে বলে দিয়েছেন, ছেলে ক্লাসে মনোযোগ দিতে পারছে না, খাতায় প্রশ্নের অর্ধেক লিখে রেখে দিচ্ছে। পরীক্ষা সামনের মাসে। মায়ের মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরছে — ছেলেটার হলো কী।

এই দৃশ্য বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটা ঘরের চেনা ছবি। এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থী থেকে শুরু করে প্রাইমারির ছোট্ট শিক্ষার্থী পর্যন্ত, মনোযোগের ঘাটতি নিয়ে অভিভাবকদের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। ইসলামে জ্ঞান অর্জনকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, আর জ্ঞান অর্জনের পথে মনোযোগ ধরে রাখার জন্য নবীদের শেখানো দোয়াও কুরআনে সংরক্ষিত আছে। তবে শুধু দোয়া শিখিয়ে দিলেই সমস্যা মিটে যাবে ভাবলে ভুল হবে, কারণ পেছনের কারণ যাচাই না করে শুধু আমলের ওপর ভরসা করাটা অসম্পূর্ণ একটা পথ।

মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর দোয়া, যা কঠিন কাজের আগে পড়া হয়

আল্লাহ তাআলা যখন মূসা (আলাইহিস সালাম)-কে ফিরআউনের কাছে গিয়ে দাওয়াত পৌঁছানোর নির্দেশ দিলেন, তখন তিনি প্রথমেই আল্লাহর কাছে বক্ষ প্রশস্ত করে দেওয়া আর কাজ সহজ করে দেওয়ার দোয়া করেছিলেন।

রাব্বি ইশরাহ লী সদরী, ওয়া ইয়াসসির লী আমরী — অর্থ: হে আমার প্রতিপালক, আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দাও এবং আমার কাজ সহজ করে দাও। (সূরা ত্বহা, আয়াত ২৫-২৬)

একজন নবীর কাছে যদি ফিরআউনের মতো অহংকারী শাসকের সামনে গিয়ে সত্য কথা বলাটা এতটাই কঠিন মনে হয় যে আল্লাহর কাছে বক্ষ প্রশস্ত করার দোয়া করতে হয়, তাহলে একটা শিশুর জন্য বইয়ের পাতায় মন বসিয়ে রাখাটাও যে সহজ কাজ না, এটা বোঝা কঠিন কিছু না। পড়তে বসার আগে সন্তানকে এই দোয়াটা শেখানো যায়, সাথে সূরা ত্বহার ১১৪ নম্বর আয়াতের দোয়াটাও।

রাব্বি যিদনী ইলমা — অর্থ: হে আমার প্রতিপালক, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দাও। (সূরা ত্বহা, আয়াত ১১৪)

এই দোয়াটা নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে সরাসরি শেখানো হয়েছিল, আর এতটাই ছোট ও সহজ যে ছোট শিশুকেও কয়েকদিনেই মুখস্থ করানো যায়। পড়তে বসার আগে এই দুটো দোয়া একসাথে পড়ার অভ্যাস করালে সন্তানের মনে একটা প্রস্তুতি তৈরি হয় — এখন পড়াশোনার সময়, অন্য কিছুর সময় না।

দোয়ার পাশাপাশি বাস্তব কারণগুলো যাচাই করা জরুরি

মনোযোগের ঘাটতি দেখলেই সাথে সাথে বদনজর বা জ্বিনের প্রভাব ভাবা শুরু করলে আসল সমস্যা এড়িয়ে যাওয়া হয়। বাস্তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কারণ থাকে একেবারে হাতের নাগালে।

  • রাতে দেরি করে ঘুমানো এবং সকালে পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া — ক্লান্ত মস্তিষ্ক কোনো বিষয়েই দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না
  • মোবাইল, টিভি বা গেমে অতিরিক্ত সময় কাটানো, যার ফলে বইয়ের স্থির পাতায় মন বসানো কঠিন হয়ে পড়ে
  • মনোযোগ-সংক্রান্ত সমস্যা যেমন এডিএইচডি, যা একজন শিশু বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন
  • দৃষ্টি বা শ্রবণে সমস্যা, যার কারণে বোর্ডের লেখা বা শিক্ষকের কথা স্পষ্টভাবে বুঝতে না পারা
  • পরিবারে মানসিক চাপ, বাবা-মায়ের অশান্তি বা আর্থিক দুশ্চিন্তা, যা সন্তানের মনেও প্রভাব ফেলে
  • যে বিষয়ে ভিত্তি দুর্বল থাকায় নতুন অধ্যায় বোঝা কঠিন হয়ে যাওয়া, ফলে মনোযোগ হারিয়ে ফেলা

এই তালিকার প্রতিটা কারণ আলাদা আলাদা সমাধান দাবি করে। ঘুমের সমস্যা হলে রুটিন ঠিক করা দরকার, স্ক্রিন টাইমের সমস্যা হলে নিয়ম বেঁধে দেওয়া দরকার, চিকিৎসাগত সন্দেহ হলে বিশেষজ্ঞ দেখানো দরকার। এই ধাপগুলো এড়িয়ে সরাসরি আধ্যাত্মিক সমাধান খুঁজতে গেলে মূল সমস্যাটা রয়েই যায়, শুধু দোয়ার সংখ্যা বাড়ে।

কখন বদনজর বা আধ্যাত্মিক কারণ বিবেচনায় আসতে পারে

উপরের কারণগুলো যাচাই করার পরও যদি দেখা যায় সন্তান হঠাৎ, কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই আগের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন আচরণ করছে — যে শিশু আগে হিফজ ক্লাসে ভালো করত সে হঠাৎ মুখস্থ আয়াতও ভুলে যাচ্ছে, বই খুললেই মাথা ভারী বা ঝিমুনি লাগছে, ঘুমে অস্থিরতা আর দুঃস্বপ্ন বেড়ে গেছে — তখন বদনজরের সম্ভাবনার কথা মাথায় আসাটা অস্বাভাবিক না। বিশেষত সম্প্রতি কেউ সন্তানের রেজাল্ট বা মেধার প্রশংসা করে গেছে অথচ মাশাআল্লাহ বলেনি, এমন ঘটনার পরপরই যদি পরিবর্তনটা শুরু হয়, তাহলে বিষয়টা আলাদাভাবে যাচাই করার সুযোগ থাকে। তবে একটা খারাপ রেজাল্ট বা কয়েকদিনের অমনোযোগ মানেই বদনজর না — প্যাটার্নটা স্পষ্ট আর ব্যাখ্যাতীত হতে হবে, তবেই এই দিকে ভাবার যৌক্তিকতা তৈরি হয়। যেমন একজন মা একবার বলেছিলেন, তার মেয়ে হঠাৎ স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার পর একটা পারিবারিক অনুষ্ঠানে সবার সামনে প্রশংসিত হয়, আর তার কয়েকদিন পরই মেয়েটা বই দেখলেই মাথা ব্যথার কথা বলতে শুরু করে, রাতে ঘুমের মধ্যে চমকে ওঠে। ডাক্তার দেখানো হয়, চোখ পরীক্ষা করানো হয়, সবকিছু স্বাভাবিক আসে। এমন প্যাটার্নে — হঠাৎ শুরু, স্পষ্ট প্রশংসার পরপরই, আর চিকিৎসাগতভাবে কোনো ব্যাখ্যা না মেলা — বদনজরের সম্ভাবনা নিয়ে ভাবাটা অযৌক্তিক না। তবে এমন প্রতিটা ঘটনাই আলাদা, তাই একে অন্যের সাথে মিলিয়ে ফেলার আগে নিজের সন্তানের ক্ষেত্রে ঠিক কী ঘটছে তা মনোযোগ দিয়ে লক্ষ্য করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

পড়ার আগে ও চলাকালীন যেসব আমল কাজে আসে

পড়তে বসার আগে বিসমিল্লাহ বলে শুরু করার অভ্যাস ছোটবেলা থেকেই গড়ে তোলা উচিত। এটা শুধু একটা শব্দ উচ্চারণ না, বরং প্রতিটা কাজের শুরুতে আল্লাহকে স্মরণ করার একটা প্রশিক্ষণ। এর পাশাপাশি প্রতিদিন ফজরের পর, মন সবচেয়ে সতেজ থাকা সময়ে, কঠিন বিষয়গুলো পড়ার অভ্যাস করালে ফল ভালো পাওয়া যায় — এই সময়টা ইসলামে বরকতময় বলে বিবেচিত, আবার মস্তিষ্কও এই সময় সবচেয়ে স্থির থাকে। ঘুমানোর আগে সন্তানের জন্য মুআব্বিযাতাইন — সূরা ফালাক ও সূরা নাস — পড়ে ফুঁ দেওয়ার অভ্যাস অব্যাহত রাখা উচিত। এটা নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিজের সুন্নাহ, যা শুধু সুরক্ষার জন্য না, মনের প্রশান্তির জন্যও কার্যকর।

স্মৃতিশক্তি ও পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে শেখা

কুরআন মুখস্থ করার পদ্ধতি খেয়াল করলে দেখা যায়, এতে বারবার আবৃত্তি আর অন্যকে শুনিয়ে পড়ার একটা নিয়ম আছে। এই একই পদ্ধতি সাধারণ পড়াশোনাতেও কাজে লাগে। একটা অধ্যায় পড়ার পর সন্তানকে বলা যায় নিজের ভাষায় সেটা আবার বুঝিয়ে বলতে, বা ছোট ভাইবোনকে শিখিয়ে দিতে। নিজের মুখে বলে বোঝানোর এই প্রক্রিয়ায় বিষয়টা স্মৃতিতে অনেক বেশি দৃঢ়ভাবে গেঁথে যায়, শুধু চোখ বুলিয়ে যাওয়ার চেয়ে। একটানা মুখস্থ করার বদলে অল্প অল্প করে কয়েকবার ফিরে এসে পড়ার অভ্যাসও কার্যকর, কারণ মস্তিষ্ক একবারে অতিরিক্ত তথ্য ধরে রাখতে পারে না।

খাদ্যাভ্যাস আর শারীরিক সচলতার ভূমিকা

সকালের নাশতা বাদ দিয়ে স্কুলে যাওয়া বা ঘুম থেকে উঠেই না খেয়ে পড়তে বসা — এই অভ্যাসগুলো মনোযোগে সরাসরি প্রভাব ফেলে। রক্তে শর্করার মাত্রা কমে গেলে মস্তিষ্ক ক্লান্ত অনুভব করে, বই খোলা থাকলেও মন সেখানে স্থির থাকে না। প্রতিদিন কিছুটা সময় খেলাধুলা বা শরীরচর্চার জন্য রাখা উচিত। সারাক্ষণ বই আর কোচিংয়ের চাপে রাখলে উল্টো ফল হয়, শিশুর মন ক্লান্ত ও বিরক্ত হয়ে পড়ে, যার প্রভাব শেষে গিয়ে পড়ে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহেই।

শিক্ষক ও স্কুলের সাথে যোগাযোগের গুরুত্ব

অনেক অভিভাবক শুধু বাসায় বসে সমাধান খোঁজেন, অথচ ক্লাসে ঠিক কোন জায়গায় সন্তান পিছিয়ে পড়ছে সেটা শিক্ষকের কাছ থেকে জানাটা অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে। শিক্ষক হয়তো বলতে পারবেন সন্তান কোন বিষয়ে দুর্বল, ক্লাসে কার সাথে বসে, কোন সময়টায় সবচেয়ে অস্থির থাকে। এই তথ্য হাতে থাকলে বাসার প্রস্তুতি আর আমল দুটোই নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে সাজানো যায়। শুধু "মনোযোগ বসে না" এই একটা সাধারণ অভিযোগ নিয়ে বসে থাকার চেয়ে, ঠিক কোথায় সমস্যা, সেটা বের করাই প্রথম কাজ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায় সন্তান আসলে একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে পিছিয়ে পড়ে হতাশ হয়ে পুরো পড়াশোনা থেকেই মন সরিয়ে নিয়েছে, যা বাইরে থেকে দেখতে সাধারণ অমনোযোগের মতো লাগে।

বাড়ির পরিবেশে যা বদলানো দরকার

পড়ার জন্য একটা নির্দিষ্ট, শান্ত জায়গা ঠিক করে দেওয়া জরুরি, যেখানে টিভির শব্দ বা অন্যদের হইচই পৌঁছায় না। পড়াশোনার সময়সূচি প্রতিদিন একই রকম রাখলে শরীর ও মন নিজে থেকেই সেই সময়ে প্রস্তুত হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় একটানা পড়াতে বসিয়ে না রেখে মাঝে মাঝে ছোট বিরতি দেওয়া ভালো, কারণ শিশুদের মনোযোগ ধরে রাখার সক্ষমতা প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় অনেক কম। পড়ার সময় আশেপাশে মোবাইল ফোন না রাখাটাও গুরুত্বপূর্ণ — চোখের সামনে ফোন থাকলে মনোযোগ বারবার সেদিকে চলে যায়, নোটিফিকেশনের শব্দ ছাড়াই।

তুলনা আর চাপ এড়িয়ে ধৈর্য ধরে রাখা

প্রতিটা শিশুর শেখার গতি আলাদা। একজনের যা এক ঘণ্টায় হয়, আরেকজনের তাতে তিন ঘণ্টা লাগতে পারে। ভাইবোন বা প্রতিবেশীর সন্তানের সাথে তুলনা করে কথা বললে সন্তানের আত্মবিশ্বাস কমে যায়, আর মনোযোগের সমস্যা আরও বেড়ে যায়। ছোট ছোট অগ্রগতিতে প্রশংসা করা, ভুল করলে বকাঝকার বদলে কোথায় সমস্যা হচ্ছে সেটা শান্তভাবে বুঝিয়ে দেওয়া — এই দুটো অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে সন্তানের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ তৈরিতে যেকোনো চাপ বা শাস্তির চেয়ে বেশি কার্যকর হয়। কেউ কেউ মনে করেন কড়া শাসনে সন্তান দ্রুত শুধরে যাবে, বাস্তবে দেখা যায় ভয়ের চাপে সাময়িক মনোযোগ বাড়লেও ভেতরে ভেতরে পড়াশোনার প্রতি এক ধরনের বিতৃষ্ণা জন্ম নেয়, যা বড় হয়ে আরও প্রকট আকারে ফিরে আসে।

ছোট ভাইবোনের সাথে সময় ভাগাভাগি ও ঈর্ষার প্রভাব

যেসব ঘরে একাধিক সন্তান আছে, সেখানে প্রায়ই দেখা যায় একজনের দিকে বেশি মনোযোগ গেলে অন্যজন মনে মনে অবহেলিত বোধ করে, আর সেই অনুভূতি থেকেও পড়াশোনায় অনীহা তৈরি হতে পারে। বড় সন্তানকে নিয়ে সারাক্ষণ পরীক্ষার আলোচনা চলতে থাকলে ছোট সন্তান নিজেকে গুরুত্বহীন ভাবতে শুরু করে, যদিও তার সমস্যাটা সরাসরি পড়াশোনার সাথে সম্পর্কিত মনে হয় না। প্রতিটা সন্তানের সাথে আলাদা করে একান্ত কিছুটা সময় কাটানো, তার নিজের কথা শোনা — এই ছোট অভ্যাসটাও মনোযোগ ফেরানোর একটা অলক্ষিত কিন্তু কার্যকর উপায় হতে পারে।

কখন রুকইয়াহ পরামর্শ নেওয়ার কথা ভাবা যায়

ঘুম, খাদ্যাভ্যাস, স্ক্রিন টাইম আর পড়ার পরিবেশ ঠিক করার পরও যদি মাসের পর মাস কোনো উন্নতি না দেখা যায়, বিশেষত সাথে অস্বাভাবিক ভয়, দুঃস্বপ্ন বা আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন থাকে, তাহলে রুকইয়াহ পরামর্শ নেওয়ার কথা ভাবা যেতে পারে। আলশিফা ডট বিডি-তে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করে বাংলা কিউআর কোডে ফি পরিশোধ করা যায় — নিয়মিত সময়ের জন্য ৪৯৯ টাকা, রাত ৭টা থেকে ১১টার মধ্যে জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯ টাকা। ফি জমা হলে হুজুরের ইমো নম্বর পাঠিয়ে দেওয়া হয়, যেখানে সন্তানের নির্দিষ্ট আচরণ ও উপসর্গ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যায়।

এটি কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক দিকনির্দেশনা, কোনো পাল্টা জাদু, তাবিজ, বা তদবির শাস্ত্রের বই থেকে নেওয়া কোনো আমল নয়; চূড়ান্ত ফলাফল আল্লাহর পক্ষ থেকে। দোয়া, বাস্তব চেষ্টা আর ধৈর্য — এই তিনটা একসাথে রাখলেই সন্তানের পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ ধীরে ধীরে ফেরে, রাতারাতি কোনো জাদুকরী পরিবর্তন হিসেবে না, বরং একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন · রুকইয়াহ শারইয়্যাহ সার্টিফিকেট কোর্স

আরও পড়ুন

https://alshifa.bd/blog/children-focus-in-studies


নিরাময় একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে। রুকইয়াহ চিকিৎসার বিকল্প নয়, বরং সহায়ক। শারীরিক বা মানসিক উপসর্গে চিকিৎসকের পরামর্শও নিন।

© আল-শিফা · alshifa.bd · ফেসবুক পেজ