
রুকইয়াহ সেশনে কান্না, কাঁপুনি বা ঘুম পাওয়া - স্বাভাবিক নাকি বিপদের লক্ষণ
রুকইয়াহ সেশনে রোগীর কান্না, কাঁপুনি বা ঘুম পাওয়া দেখলে পরিবার প্রায়ই ভয় পেয়ে যায়। কোন প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিক আর কোনটাতে সত্যিই সতর্ক হতে হবে, তার একটা বাস্তবসম্মত পথনির্দেশ।
লিখেছেন হযরত মাওলানা আল আমিন · প্রকাশ · হালনাগাদ
হঠাৎ কান্না দেখে পরিবার যা ভাবে
রোগীর নাম ধরে সূরা ফাতিহা পড়া শুরু হতেই মেয়েটি ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করল। তারপর হাত-পা কাঁপতে লাগল, শ্বাস ভারী হয়ে এল, চোখ বন্ধ রেখেই মাথা এদিক-ওদিক নাড়াতে থাকল। পাশে বসে থাকা মা আঁতকে উঠলেন - আরও খারাপ হয়ে যাচ্ছে না তো, আগে তো এমন হতো না। এই দৃশ্য দেশের যেকোনো রুকইয়াহ সেন্টারে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই কয়েকবার ঘটে, আর প্রতিবারই পরিবারের চোখে-মুখে একই আতঙ্ক ফুটে ওঠে। বাস্তবতা হলো, এই ধরনের প্রতিক্রিয়া রুকইয়াহর একটা পরিচিত অংশ - তবে সব প্রতিক্রিয়া যে নিরাপদ সীমার মধ্যে থাকে তা নয়, আর এই পার্থক্যটা বোঝা রোগী ও পরিবার উভয়ের জন্যই দরকারি।
অনেকে প্রথমবার সেশনে যাওয়ার আগেই ইউটিউবে বিভিন্ন ভিডিও দেখে মনে একটা প্রত্যাশা তৈরি করে ফেলেন - হয়তো ভাবেন রোগী চিৎকার করে জিনের গলায় কথা বলবে, নয়তো ভাবেন কিছুই হবে না। বাস্তবে বেশিরভাগ সেশন এই দুই চরমের মাঝামাঝি কোথাও ঘটে, আর সেটা প্রতিটি মানুষের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে ভিন্ন হয়।
প্রতিক্রিয়া কেন হয়, কুরআনের ভাষায়
আল্লাহ তায়ালা বলেন,
আর আমি কুরআনের মধ্য থেকে যা অবতীর্ণ করি তা মুমিনদের জন্য আরোগ্য ও রহমতস্বরূপ; কিন্তু তা যালিমদের ক্ষতি ছাড়া আর কিছুই বৃদ্ধি করে না। (সূরা আল-ইসরা, ১৭:৮২)
এই আয়াতটি প্রতিক্রিয়া বোঝার একটা মূল চাবিকাঠি। কুরআন যেখানে মুমিনের জন্য আরোগ্য ও প্রশান্তি, সেখানে শরীরে বাসা বাঁধা কোনো অস্বাভাবিক প্রভাবের জন্য সেটা অস্বস্তিকর হতে পারে - আয়াতটি স্পষ্ট বলছে, কুরআন যালিমদের কেবল ক্ষতিই বাড়ায়। এ কারণেই আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে কোনো প্রভাব থাকলে আয়াত শোনার সময় সেই প্রভাব প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে, অনেকটা তাপের কাছে বরফ রাখলে যেমন গলতে শুরু করে।
তবে রাকীরা এটাও মনে করিয়ে দেন, প্রতিক্রিয়ার তীব্রতা কখনোই সমস্যার তীব্রতার নিশ্চিত মাপকাঠি নয়। একজন মানুষের ভেতরে অনেক পুরনো সমস্যা থাকলেও শরীর হয়তো খুব শান্ত থাকে, আবার তুলনামূলক ছোট সমস্যাতেও কারও শরীর প্রবল প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। তাই কেবল বাহ্যিক প্রতিক্রিয়া দেখে রোগের গভীরতা বিচার করা ঠিক নয়।
প্রতিক্রিয়া আসলে কী, আর কেন হয়
রাকীরা সাধারণত বলেন, প্রতিক্রিয়া দুই ধরনের কারণে হতে পারে। এক ধরনের প্রতিক্রিয়া আসে যখন শরীরে সত্যিই জিনের প্রভাব বা জাদুর প্রভাব থাকে - তখন আয়াত শোনার সাথে সাথে শরীর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখায়। আরেক ধরনের প্রতিক্রিয়া আসে স্রেফ মানসিক চাপ, পুরনো কষ্ট বা দমিয়ে রাখা আবেগ থেকে - দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা কান্না কুরআনের আয়াত শুনতে শুনতে বেরিয়ে আসে, এতে কোনো জিন বা জাদুর সম্পর্ক নাও থাকতে পারে।
দুটোকে এক করে ফেলাটাই সবচেয়ে বড় ভুল। অনেক পরিবার যেকোনো কান্না বা কাঁপুনি দেখলেই ধরে নেন নিশ্চয়ই জিন আছে, অথচ বাস্তবে সেটা হয়তো নিছক আবেগের বহিঃপ্রকাশ। আবার উল্টোটাও হয় - কেউ কেউ প্রতিক্রিয়াকে খুব বেশি গুরুত্ব না দিয়ে হেসে উড়িয়ে দেন, অথচ সেখানে সত্যিকারের কিছু থাকতে পারে। একজন অভিজ্ঞ রাকী রোগীর সামগ্রিক ইতিহাস, উপসর্গ ও প্রতিক্রিয়ার ধরন মিলিয়ে বিচার করেন, শুধু একটা লক্ষণ দিয়ে নয়।
স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াগুলো কী কী
বেশিরভাগ সেশনে যেসব প্রতিক্রিয়া দেখা যায় সেগুলো সাধারণত নিরাপদ ও প্রত্যাশিত সীমার মধ্যেই থাকে।
- চোখ থেকে অনিয়ন্ত্রিতভাবে পানি পড়া বা ফুঁপিয়ে কান্না
- শরীরে হালকা থেকে মাঝারি কাঁপুনি, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া
- ঘন ঘন হাই ওঠা বা ঢেকুর তোলা
- মাথা ঘোরা বা সাময়িক ঝিমুনি ভাব
- মাথা, পিঠ বা পেটে চাপ বা ব্যথা অনুভব করা
- ঘুম ঘুম ভাব চলে আসা বা হঠাৎ প্রচণ্ড ক্লান্তি লাগা
এই প্রতিক্রিয়াগুলো সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যেই কমে আসে এবং সেশন শেষে ব্যক্তি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেন। অনেক সময় সেশনের পরে বরং হালকা লাগে, মনে শান্তি অনুভূত হয় - এটাও ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়। কারো কারো ক্ষেত্রে সেশনের পরদিন সকালে শরীরে হালকা ব্যথা বা অবসাদ থাকতে পারে, যা সাধারণত এক-দুই দিনের মধ্যেই কেটে যায়।
প্রথমবার ও পরবর্তী সেশনে প্রতিক্রিয়ার পার্থক্য
যারা প্রথমবার সেশনে আসেন, তাদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া প্রায়ই তুলনামূলক কম বা অস্পষ্ট থাকে - শরীর যেন প্রথমবার বুঝতে চেষ্টা করে কী ঘটছে। দ্বিতীয়-তৃতীয় সেশনে গিয়ে অনেকের প্রতিক্রিয়া স্পষ্ট হয়ে ওঠে, কারণ ততদিনে শরীর ও মন কিছুটা প্রস্তুত হয়ে যায়। আবার কারো ক্ষেত্রে ঠিক উল্টোটা হয় - প্রথম সেশনে প্রবল প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, পরের সেশনগুলোতে ধীরে ধীরে তা কমে আসে, যেটাকে আরোগ্যের একটা লক্ষণ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই পরিবর্তনের ধরন থেকেও রাকীরা কিছুটা ধারণা পান চিকিৎসা কেমন এগোচ্ছে।
প্রতিক্রিয়া না হলে কি রুকইয়াহ ব্যর্থ?
একটা প্রচলিত ভুল ধারণা এখানে ভাঙা দরকার। অনেকে মনে করেন প্রতিক্রিয়া না হলে বুঝি রুকইয়াহ কাজ করছে না, বা সমস্যা নেই বলেই কিছু হচ্ছে না। বাস্তবে প্রতিক্রিয়া হওয়া বা না হওয়া দুটোই স্বাভাবিক হতে পারে। অনেক প্রকৃত আক্রান্ত ব্যক্তিও প্রথম কয়েকটা সেশনে দৃশ্যমান কোনো প্রতিক্রিয়া দেখান না, পরে ধীরে ধীরে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পায়। আবার অনেকের সমস্যা থাকলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া কখনোই আসে না, আরোগ্য তবু ধীরে ধীরে ঘটে। তাই কেবল প্রতিক্রিয়া দেখে রোগ নির্ণয় করাটা রাকীদের কাজ নয়, বরং সামগ্রিক উপসর্গ ও ইতিহাস মিলিয়ে বিচার করা হয়।
দলবদ্ধ পরিবেশে প্রতিক্রিয়া কেন বেশি দেখা যায়
যেসব সেশনে একসাথে কয়েকজন রোগী উপস্থিত থাকেন, সেখানে একজনের কান্না বা কাঁপুনি দেখে আশেপাশের অন্যদের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া শুরু হয়ে যাওয়া একটা পরিচিত ঘটনা। এটাকে সরাসরি জিনের প্রভাব বলে ধরে নেওয়ার আগে বোঝা দরকার, মানুষের মন স্বভাবতই আশেপাশের আবেগের সাথে সাড়া দেয় - একজন কাঁদতে শুরু করলে অন্যদেরও চোখ ভিজে আসতে পারে, এটা নিছক মানসিক সংক্রমণ, যাকে ইংরেজিতে ইমোশনাল কনটেজিয়ন বলা হয়। কেউ কেউ আবার আগে থেকে শোনা নাটকীয় গল্প বা ভিডিওর প্রভাবে অবচেতনভাবে একই ধরনের প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করে ফেলেন, যদিও তারা ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা অভিনয় করছেন না। একজন অভিজ্ঞ রাকী এই পার্থক্য বুঝে প্রতিটি রোগীকে আলাদাভাবে মূল্যায়ন করেন, দলগত আবেগের স্রোতে ভেসে গিয়ে সবাইকে এক কাতারে ফেলেন না।
এর মানে এই নয় যে দলবদ্ধ সেশনে প্রতিক্রিয়া দেখানো সবসময় মিথ্যা বা অভিনয়। বরং এটা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য যে মানুষের মন ও শরীর অনেক জটিল উপায়ে একে অপরকে প্রভাবিত করে, আর রুকইয়াহর প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ করার সময় এই বাস্তবতা মাথায় রাখা জরুরি।
সময়ের সাথে প্রতিক্রিয়ার ধরন পরিবর্তন থেকে যা বোঝা যায়
কয়েক সপ্তাহ ধরে নিয়মিত সেশনে যাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে রাকীরা সাধারণত একটা প্যাটার্ন লক্ষ্য করেন। প্রথম সপ্তাহে প্রতিক্রিয়া তীব্র থাকলে চতুর্থ বা পঞ্চম সপ্তাহে গিয়ে তা ধীরে ধীরে কমে আসাটা একটা ইতিবাচক ইঙ্গিত হতে পারে। বিপরীতে, দীর্ঘদিন ধরে একই তীব্রতায় প্রতিক্রিয়া অপরিবর্তিত থেকে গেলে বা কোনো উন্নতির লক্ষণ না দেখা গেলে, রাকী হয়তো চিকিৎসার পদ্ধতি পুনর্বিবেচনা করেন বা অন্য কোনো সম্ভাব্য কারণ খতিয়ে দেখেন। তাই একবারের প্রতিক্রিয়ার চেয়ে বেশ কয়েক সেশনের প্রবণতা দেখেই প্রকৃত অগ্রগতি বোঝা সম্ভব।
কোন প্রতিক্রিয়াগুলো নিয়ে সতর্ক হওয়া দরকার
যেসব প্রতিক্রিয়া নিয়ে সত্যিকারের সতর্কতা প্রয়োজন, সেগুলো মূলত শারীরিক নিরাপত্তার সাথে সম্পর্কিত।
- দীর্ঘক্ষণ সম্পূর্ণ অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকা এবং ডাকাডাকিতেও সাড়া না দেওয়া
- নিজেকে বা আশেপাশের মানুষকে আঘাত করার চেষ্টা করা
- শ্বাসকষ্ট হওয়া, ঠোঁট নীল হয়ে যাওয়া বা শরীর শক্ত হয়ে খিঁচুনির মতো অবস্থা তৈরি হওয়া, বিশেষত যাদের আগে থেকে মৃগীরোগ নেই তাদের ক্ষেত্রে
- হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ বা গর্ভাবস্থার মতো ঝুঁকিপূর্ণ শারীরিক অবস্থায় প্রচণ্ড উত্তেজনা
এই ধরনের পরিস্থিতিতে অভিজ্ঞ রাকী সাথে সাথে সেশন থামিয়ে দেন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেন। দায়িত্বশীল একজন রাকী কখনোই ঝুঁকি নিয়ে জোর করে সেশন চালিয়ে যান না, আর কোনো প্রকৃত ইলমওয়ালা রাকী রোগীর শারীরিক নিরাপত্তা উপেক্ষা করে শুধু "প্রতিক্রিয়া বের করার" জন্য জেদ করেন না।
রাকী ও পরিবারের করণীয়
সেশন চলাকালীন পরিবারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো শান্ত থাকা। রোগীর কাঁপুনি বা কান্না দেখে পরিবার নিজেরাই আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার শুরু করলে রোগীর মানসিক অবস্থা আরও অস্থির হয়ে ওঠে। এর বদলে ধীরস্থিরভাবে পাশে থাকা, প্রয়োজনে হালকাভাবে হাত ধরে রাখা, আর রাকীর নির্দেশনা মেনে চলাই উত্তম। সেশনের আগেই পরিবারকে জানিয়ে রাখা ভালো কী কী প্রতিক্রিয়া হতে পারে, যাতে আকস্মিকতায় ভয় না পান।
রাকীর দায়িত্ব হলো প্রতিটি প্রতিক্রিয়া মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা এবং প্রয়োজনে সেশনের গতি কমিয়ে দেওয়া। কোনো প্রতিক্রিয়া বিপজ্জনক পর্যায়ে গেলে সাথে সাথে থামিয়ে রোগীকে পানি খাওয়ানো, বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করা এবং শান্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। সেশনের পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ দেওয়াও জরুরি, তাড়াহুড়ো করে উঠিয়ে নেওয়া ঠিক নয়।
প্রতিক্রিয়া লিখে রাখার উপকারিতা
যারা একাধিক সেশনে যাচ্ছেন, তাদের জন্য প্রতিটি সেশনের পর কী কী প্রতিক্রিয়া হয়েছে তা সংক্ষেপে লিখে রাখা কাজে দিতে পারে - কোন আয়াতে বেশি প্রতিক্রিয়া হলো, কতক্ষণ স্থায়ী হলো, সেশনের পর কেমন লাগল। এই তথ্য রাকীকে চিকিৎসার অগ্রগতি বুঝতে সাহায্য করে এবং পরিবারকেও অস্থির না হয়ে বাস্তব পরিবর্তন দেখতে সাহায্য করে।
কখন ডাক্তারের কাছে যাওয়া জরুরি
যাদের আগে থেকে মৃগীরোগ, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, মানসিক রোগের ইতিহাস আছে, বা যারা গর্ভবতী, তাদের ক্ষেত্রে সেশনে যাওয়ার আগেই বিষয়টি রাকীকে জানানো উচিত এবং সম্ভব হলে চিকিৎসকের পরামর্শও নেওয়া উচিত। সেশনের সময় বা পরে যদি খিঁচুনি, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা বা দীর্ঘ সময় জ্ঞান না ফেরার মতো উপসর্গ দেখা দেয়, দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া উচিত। রুকইয়াহ কোনোভাবেই জরুরি চিকিৎসার বিকল্প নয়, বরং শারীরিক ও আধ্যাত্মিক দুই দিকই একসাথে বিবেচনায় রাখতে হয়।
এটি কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক দিকনির্দেশনা, কোনো পাল্টা জাদু, তাবিজ, বা তদবির শাস্ত্রের বই থেকে নেওয়া কোনো আমল নয়; চূড়ান্ত সুস্থতা আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে, আর প্রতিটি প্রতিক্রিয়ার পেছনের প্রকৃত কারণও একমাত্র তিনিই ভালো জানেন। রাকী বা পরিবার কেউই আগে থেকে নিশ্চিত করে বলতে পারে না ঠিক কীভাবে একজন মানুষের শরীর সাড়া দেবে।
সেশনে বসার আগে তাই এতটুকু জেনে রাখা যথেষ্ট - কান্না, কাঁপুনি বা ঘুম পাওয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক একটা প্রক্রিয়ার অংশ, ভয়ের কিছু নয়। তবে শরীর যখন সত্যিকারের বিপদের ইঙ্গিত দেয়, সেটা চিনে নিয়ে দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই একজন দায়িত্বশীল রোগী বা পরিবারের কাজ।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন · রুকইয়াহ শারইয়্যাহ সার্টিফিকেট কোর্স
আরও পড়ুন
- নিজে নিজে রুকইয়াহ করবেন কীভাবে - ধাপে ধাপে সঠিক পদ্ধতি
- রুকইয়াহতে কোন সূরা-আয়াত সবচেয়ে বেশি পড়া হয় এবং কেন
- ভালো ও খারাপ স্বপ্নের মধ্যে পার্থক্য ইসলামের দৃষ্টিতে কীভাবে বুঝবেন
- দলগত রুকইয়াহ নাকি একক — কোনটা বেশি কার্যকর
- রুকইয়াহর সময় কান্না বা হাসি আসে কেন
- রুকইয়াহ সেশনের আগে যেভাবে প্রস্তুতি নেবেন
https://alshifa.bd/blog/ruqyah-session-normal-abnormal-reactions