
ইসলামে গণক-জ্যোতিষীর কাছে যাওয়ার বিধান
বিয়ের আগে কুষ্ঠি মেলানো থেকে রাশিফল পড়া পর্যন্ত — গণক-জ্যোতিষীর কাছে যাওয়া নিয়ে ইসলামের কঠোর ও স্পষ্ট বিধান।
লিখেছেন হযরত মাওলানা আল আমিন · প্রকাশ · হালনাগাদ
বিয়ের আগে কনের মা মেয়েকে নিয়ে গেলেন এক "হাত দেখা" জ্যোতিষীর কাছে — শুধু জেনে নিতে চেয়েছিলেন ছেলের সাথে মেয়ের "কুষ্ঠি মিলবে কি না"। জ্যোতিষী কিছু কথা বললেন, কিছু আশঙ্কার কথাও শোনালেন, বিয়েটা প্রায় ভেঙেই যাচ্ছিল। পরে পরিবারের একজন আলেমের সাথে কথা বলে জানা গেল, পুরো ব্যাপারটাই ছিল অনর্থক এক অনিশ্চয়তা তৈরি করা, যার কোনো ভিত্তি নেই। বাংলাদেশে খবরের কাগজের রাশিফল কলাম থেকে শুরু করে গ্রামের হাত দেখা বুড়ি পর্যন্ত — ভবিষ্যৎ জানার এই আগ্রহ সমাজে গভীরভাবে প্রোথিত। কিন্তু ইসলামে এই বিষয়ে কোনো ধোঁয়াশা নেই — বিধানটা স্পষ্ট এবং কঠোর, প্রতিটি মুসলিমের জন্য জানা জরুরি।
হাদিসের সুস্পষ্ট ঘোষণা
আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন।
مَنْ أَتَى عَرَّافًا فَسَأَلَهُ عَنْ شَيْءٍ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةٌ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً
উচ্চারণ: মান আতা আররাফান ফাসাআলাহু আন শাইয়িন, লাম তুকবাল লাহু সালাতুন আরবাঈনা লাইলাহ।
অর্থ: যে ব্যক্তি কোনো গণকের কাছে গিয়ে তাকে কিছু জিজ্ঞাসা করল, তার চল্লিশ রাত্রি পর্যন্ত নামাজ কবুল হবে না।
সূত্র: সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ২২৩০
এই হাদিসে একটা জিনিস লক্ষণীয় — এখানে বিশ্বাস স্থাপনের কথা বলা হয়নি, শুধু "জিজ্ঞাসা করা"র কথাই বলা হয়েছে। অর্থাৎ কৌতূহলবশত গিয়ে প্রশ্ন করলেও এই শাস্তি প্রযোজ্য। চল্লিশ দিনের নামাজ কবুল না হওয়া মানে নামাজ পড়তে হবে না এমন নয় — নামাজ পড়তে হবে, কিন্তু তার সওয়াব আল্লাহর কাছে গৃহীত হবে না, যা একজন মুমিনের জন্য অত্যন্ত ভারী একটা ক্ষতি।
বিশ্বাস স্থাপন করলে আরও ভয়াবহ পরিণতি
যদি কেউ শুধু জিজ্ঞাসা না করে গণকের কথায় বিশ্বাসও স্থাপন করে ফেলে, তাহলে হুকুম আরও কঠোর হয়ে যায়।
مَنْ أَتَى كَاهِنًا فَصَدَّقَهُ بِمَا يَقُولُ فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ
উচ্চারণ: মান আতা কাহিনান ফাসাদ্দাক্বাহু বিমা ইয়াক্বুলু, ফাক্বাদ কাফারা বিমা উনযিলা আলা মুহাম্মাদ।
অর্থ: যে ব্যক্তি কোনো গণকের কাছে গেল এবং সে যা বলল তা বিশ্বাস করল, সে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তা অস্বীকার করল।
সূত্র: সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৩৯০৪; মুসনাদ আহমাদ
"কুফর" শব্দটা এখানে হালকাভাবে ব্যবহৃত হয়নি। যে ব্যক্তি বিশ্বাস করে কোনো গণক তার ভবিষ্যৎ বা অতীতের গোপন কথা বলে দিতে পারে, সে আসলে বিশ্বাস করছে যে আল্লাহ ছাড়াও কেউ গায়েবের জ্ঞান রাখতে পারে — যা সরাসরি কুরআনের ঘোষণার বিপরীত।
কেন এত কঠোর — তাওহীদের সাথে সম্পর্ক
ইসলামী আকীদার একটা মৌলিক স্তম্ভ হলো, আসমান-জমিনের অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান একমাত্র আল্লাহর কাছে সীমাবদ্ধ। কুরআনে সূরা লুকমানে পাঁচটি এমন বিষয়ের কথা বলা হয়েছে যা একমাত্র আল্লাহ জানেন — কিয়ামত কখন হবে, বৃষ্টি কখন নামবে, গর্ভে কী আছে, আগামীকাল কী ঘটবে এবং কোন ব্যক্তি কোথায় মারা যাবে। যখন কোনো গণক বা জ্যোতিষী দাবি করে সে এসব বিষয়ে জানে, সে প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর একক এই গুণের ভাগীদার হওয়ার দাবি করছে। এই ধরনের "গণক"রা প্রায়ই আকাশের কথা চুরি করে আনা জিনের সাহায্য নেয় বলে হাদিসে বর্ণিত আছে — একটা সত্য কথার সাথে নিরানব্বইটা মিথ্যা মিশিয়ে দেয়, যা মানুষকে বিভ্রান্ত করে এবং সেই একটা সত্য কথাই মানুষকে পরবর্তীতে পুরোপুরি বিশ্বাস করতে প্ররোচিত করে।
রাশিফল, হাত দেখা, তাস দেখা — সবই কি একই বিধানের আওতায়
হ্যাঁ। নাম যাই হোক না কেন — জ্যোতিষী, গণক, হাত দেখা, তাস দেখা, কুষ্ঠি মেলানো, সংখ্যাতত্ত্ব দিয়ে ভাগ্য গণনা — এই সবকিছুই মূলত একই দাবি করে, যে ভবিষ্যৎ বা অদৃশ্য কিছু আগেভাগে জানা সম্ভব। পদ্ধতি ভিন্ন হলেও দাবিটা একই এবং হুকুমও একই। খবরের কাগজে ছাপা রাশিফল কলাম পড়ে মজা করে দিন শুরু করাটাও এই একই বিভাগে পড়ে, কারণ এটাও দাবি করে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান দিয়ে একজন মানুষের দিন কেমন যাবে তা বলে দেওয়া সম্ভব।
"শুধু মজার জন্য দেখি" — এই মানসিকতাও কেন ক্ষতিকর
অনেকে যুক্তি দেখান, "আমি তো বিশ্বাস করি না, শুধু মজা করে রাশিফল পড়ি বা হাত দেখাই।" কিন্তু আগের হাদিসেই স্পষ্ট, শুধু জিজ্ঞাসা করা বা দেখাটাই চল্লিশ দিনের নামাজ কবুল না হওয়ার শাস্তি ডেকে আনে, বিশ্বাস না করলেও। এছাড়া বাস্তবে "শুধু মজা"র সাথে শুরু হওয়া এই অভ্যাস ধীরে ধীরে মনের গভীরে একটা প্রভাব ফেলে — কোনো একদিন কাকতালীয়ভাবে কিছু মিলে গেলে সেই বিশ্বাসের বীজ থেকেই পূর্ণ বিশ্বাসের চারা গজিয়ে ওঠে।
বিকল্প কী — অনিশ্চয়তার মুহূর্তে ইসলামসম্মত পথ
ভবিষ্যৎ বা কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগলে ইসলামে এর একটা সুন্দর ও সম্পূর্ণ বিকল্প ব্যবস্থা আছে — ইস্তিখারা নামাজ। দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে নির্দিষ্ট দোয়া পাঠ করে আল্লাহর কাছে সরাসরি কল্যাণকর পথের প্রার্থনা করা, সাথে যুক্তিসঙ্গত পরামর্শ ও চিন্তাভাবনা চালিয়ে যাওয়া — এটাই ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা মোকাবেলার একমাত্র বৈধ ও কার্যকর পথ। কোনো গণক বা জ্যোতিষীর কাছে যাওয়ার প্রয়োজন এখানে থাকে না।
বিয়ে ও সন্তানের নাম রাখায় জ্যোতিষ দেখানোর প্রবণতা
বাংলাদেশের অনেক পরিবারে বিয়ের তারিখ ঠিক করা, সন্তানের নামের প্রথম অক্ষর ঠিক করা বা নতুন ব্যবসা শুরুর "শুভ দিন" বের করার জন্য জ্যোতিষীর শরণাপন্ন হওয়ার রেওয়াজ আছে। এই প্রতিটা ক্ষেত্রেই একই ভুল কাজ করছে — একটা নির্দিষ্ট তারিখ বা অক্ষরকে "শুভ" বা "অশুভ" বলে বিশ্বাস করা, যার কোনো ভিত্তি ইসলামে নেই। ইসলামে কোনো দিন নিজে থেকে শুভ বা অশুভ নয় — প্রতিটা দিনই আল্লাহর সৃষ্টি এবং তার সিদ্ধান্তের অধীন। বিয়ে বা ব্যবসা শুরুর জন্য ভালো সময় বেছে নেওয়ার ইসলামসম্মত পদ্ধতি হলো ইস্তিখারা পড়া, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়া এবং সুবিধাজনক সময় বেছে নেওয়া — কোনো গ্রহ-নক্ষত্রের হিসাব নয়।
মোবাইল অ্যাপ ও সামাজিক মাধ্যমের রাশিফল নিয়ে বিশেষ সতর্কতা
আজকাল রাশিফল আর শুধু খবরের কাগজে সীমাবদ্ধ নেই। মোবাইল অ্যাপ, ফেসবুক পেজ, ইনস্টাগ্রাম স্টোরি — সবখানে "আজকের রাশিফল" নামের কনটেন্ট সয়লাব হয়ে আছে, যা তরুণ প্রজন্মের কাছে বিনোদনের ছলে পৌঁছে যাচ্ছে। এই সহজলভ্যতাই সমস্যাটাকে আরও গভীর করে তুলেছে — আগে যেখানে গণকের কাছে সশরীরে যেতে হতো, এখন হাতের মুঠোতেই প্রতিদিন এই বিশ্বাস চর্চা হয়ে যাচ্ছে, প্রায় অজান্তেই। মুসলিম হিসেবে এই ধরনের অ্যাপ বা পেজ থেকে দূরে থাকা, এবং সন্তানদেরও এসব থেকে দূরে রাখার ব্যাপারে সচেতন থাকা জরুরি।
সন্তানদের এই বিষয়ে সচেতন করা
স্কুলের বন্ধুদের মধ্যে রাশিফল বা হাত দেখা নিয়ে মজার ছলে আলোচনা হওয়া স্বাভাবিক একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই শিখিয়ে দেওয়া উচিত যে ভবিষ্যৎ একমাত্র আল্লাহ জানেন, আর এই ধরনের "মজার" চর্চাও আসলে একটা গুরুত্বপূর্ণ আকীদাগত বিষয়ের সাথে জড়িত। এই শিক্ষাটা রাগ করে বা ভয় দেখিয়ে নয়, বরং সহজভাবে বুঝিয়ে দিলে সন্তান নিজে থেকেই এই ধরনের চর্চা এড়িয়ে চলতে শিখবে।
গণক কীভাবে মাঝেমধ্যে সত্যি কথা বলে ফেলে
অনেকে প্রশ্ন করেন, গণক যদি সত্যিই কিছু না জানে, তাহলে মাঝে মাঝে তার কথা মিলে যায় কেন? এর উত্তর হাদিসেই আছে — এই ধরনের ব্যক্তিরা প্রায়ই জিনের সহায়তা নেয়, আর জিনেরা আকাশের ফেরেশতাদের কথোপকথনের কিছু অংশ চুরি করে শুনতে চেষ্টা করে, যদিও এখন এই সুযোগ অনেক সীমিত। সেই চুরি করা একটা সত্য তথ্যের সাথে গণক নিজে থেকে নিরানব্বইটা মিথ্যা যোগ করে দেয়। মানুষ সেই একটা মিলে যাওয়া কথাটাই মনে রাখে, বাকি মিথ্যাগুলো ভুলে যায় — এভাবেই গণকের প্রতি বিশ্বাস দৃঢ় হতে থাকে। প্রকৃতপক্ষে এটা কোনো প্রকৃত জ্ঞান নয়, বরং একটা পরিসংখ্যানগত কাকতালীয় ঘটনা এবং প্রতারণার কৌশল। এই কারণেই একজন মুমিনের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ অবস্থান হলো শুরু থেকেই এই ধরনের দাবির ধারেকাছে না যাওয়া, একবার মিলে যাওয়া কথার প্রলোভনে পড়ে পরবর্তী নিরানব্বইটা মিথ্যার দিকে না গড়ানো।
স্বপ্নে ভবিষ্যৎ দেখা কি একই বিভাগে পড়ে
এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য বোঝা দরকার। সত্য স্বপ্ন (রু'ইয়া সালিহাহ) নবুওয়াতের একটা অংশ বলে হাদিসে উল্লেখ আছে, এবং এটা গণকের দাবির সাথে এক নয় — কারণ এখানে কেউ ইচ্ছা করে বা পদ্ধতি প্রয়োগ করে ভবিষ্যৎ জানার দাবি করছে না, বরং আল্লাহ কখনো কখনো ঘুমন্ত অবস্থায় বান্দাকে কিছু ইঙ্গিত দিতে পারেন। সমস্যাটা তখনই হয় যখন কেউ স্বপ্ন ব্যাখ্যাকারী সেজে টাকার বিনিময়ে মানুষের স্বপ্নের ভিত্তিতে ভবিষ্যদ্বাণী করা শুরু করে, বা স্বপ্নকে গণকবিদ্যার মতো একটা ব্যবসায় পরিণত করে — এটা আবার আগের একই সমস্যায় ফিরে যায়।
গায়েবের চাবিসমূহ একমাত্র আল্লাহর কাছে
কুরআনে আরেকটা আয়াতে এই বিষয়টা আরও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে — "ওয়া ইনদাহু মাফাতিহুল গাইবি লা ইয়া'লামুহা ইল্লা হুওয়া" (সূরা আল-আনআম, আয়াত ৫৯), অর্থাৎ গায়েবের চাবিসমূহ তাঁরই কাছে, তিনি ছাড়া তা কেউ জানে না। "চাবি" শব্দটা এখানে গুরুত্বপূর্ণ — এটা বোঝায় গায়েবের জ্ঞান একটা তালাবদ্ধ ভাণ্ডার, যার চাবি একমাত্র আল্লাহর কাছে সংরক্ষিত। কোনো মানুষ, জিন বা অন্য কোনো সৃষ্টি এই চাবি ধার করে বা কৌশলে জোগাড় করে নিতে পারে না। যে কেউ এই দাবি করে যে সে এই তালা খুলে ফেলতে পারে, সে বাস্তবে একটা অসম্ভব দাবি করছে।
পরিবারের কাউকে যদি এই অভ্যাস থেকে বের করতে চান
অনেক পরিবারে বয়স্ক সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত কোনো জ্যোতিষী বা তান্ত্রিকের কাছে যাতায়াত করেন, এবং সরাসরি নিষেধ করলে তারা রাগ করেন বা গোপনে যাওয়া চালিয়ে যান। এক্ষেত্রে কঠোর ভাষায় বাধা না দিয়ে ধীরে ধীরে সহীহ হাদিসগুলো তার সামনে তুলে ধরা, এবং বিকল্প হিসেবে ইস্তিখারা ও দোয়ার প্রকৃত উপকারিতা বুঝিয়ে বলা বেশি কার্যকর হয়। মানুষ ভয় থেকে নয়, বরং বোঝাপড়া থেকে অভ্যাস বদলালে সেটা বেশি স্থায়ী হয়। ধৈর্য ধরে বারবার সঠিক তথ্য তুলে ধরা, এবং নিজে সেই মানুষটার জন্য দোয়া করতে থাকা — এই দুটোই দীর্ঘমেয়াদে পরিবর্তন আনার সবচেয়ে কার্যকর পথ, তাৎক্ষণিক কোনো তর্ক-বিতর্কের চেয়ে। কারো অভ্যাস রাতারাতি বদলাবে এমন প্রত্যাশা না রেখে ধীরে ধীরে, সম্মানের সাথে এগোনোই দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বেশি কাজে দেয়।
যদি আগে গিয়ে থাকেন
অতীতে না জেনে বা কৌতূহলবশত কোনো গণক-জ্যোতিষীর কাছে গিয়ে থাকলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। আন্তরিকভাবে তওবা করা, ভবিষ্যতে এই পথ সম্পূর্ণ পরিহার করা এবং তার বদলে ইস্তিখারা ও দোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলাই এখন করণীয়। আল্লাহ তওবাকারীকে ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, আর এই ধরনের ভুল থেকে ফিরে আসা মানেই ঈমান আরও মজবুত হওয়ার একটা সুযোগ।
এটি কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক দিকনির্দেশনা, কোনো পাল্টা জাদু, তাবিজ, বা তদবির শাস্ত্রের বই থেকে নেওয়া কোনো আমল নয়। ভবিষ্যৎ বা সিদ্ধান্তহীনতা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকলে ইস্তিখারা সংক্রান্ত আমাদের বিস্তারিত লেখাটি পড়ুন অথবা সরাসরি পরামর্শের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন · রুকইয়াহ শারইয়্যাহ সার্টিফিকেট কোর্স
আরও পড়ুন
- রুকইয়াহ সেশনে কান্না, কাঁপুনি বা ঘুম পাওয়া - স্বাভাবিক নাকি বিপদের লক্ষণ
- নিজে নিজে রুকইয়াহ করবেন কীভাবে - ধাপে ধাপে সঠিক পদ্ধতি
- রুকইয়াহতে কোন সূরা-আয়াত সবচেয়ে বেশি পড়া হয় এবং কেন
- ভালো ও খারাপ স্বপ্নের মধ্যে পার্থক্য ইসলামের দৃষ্টিতে কীভাবে বুঝবেন
- দলগত রুকইয়াহ নাকি একক — কোনটা বেশি কার্যকর
- রুকইয়াহর সময় কান্না বা হাসি আসে কেন