
সবার সামনে সুখী সংসার দেখানো, ভেতরে ভেতরে সমস্যা গোপন রাখার ক্ষতি
বাইরে ঝকঝকে সংসার দেখিয়ে ভেতরে বছরের পর বছর কষ্ট চেপে রাখা কতটা ক্ষতিকর, সিতরের প্রকৃত ইসলামি অর্থ ও সময়মতো সঠিক জায়গায় সাহায্য চাওয়ার গুরুত্ব।
লিখেছেন হযরত মাওলানা আল আমিন · প্রকাশ · হালনাগাদ
ফেসবুকে ফারহানা আর রাশেদের ছবি দেখলে যে কেউ বলবে, এইটাই তো সুখী সংসারের নমুনা। ঈদের দিন ম্যাচিং পাঞ্জাবি-শাড়িতে ছবি, বিবাহবার্ষিকীতে রেস্টুরেন্টের টেবিলে হাত ধরে বসে থাকার ছবি, নিচে ক্যাপশনে "আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর অশেষ রহমত।" আত্মীয়স্বজন কমেন্টে লেখেন, "মাশাআল্লাহ কী মিল আপনাদের।" অথচ সেই ছবি তোলার আধঘণ্টা আগে দুজনের মধ্যে চলেছে তীব্র ঝগড়া, রাশেদের মোবাইলের একটা মেসেজ নিয়ে, আর ছবি তোলার পরপরই আবার নেমে এসেছে সেই একই থমথমে নীরবতা যা গত ছয় মাস ধরে তাদের ঘরের নিত্যসঙ্গী। ফারহানা প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ভাবেন আজ কীভাবে সংসারটা আরেকটু টিকিয়ে রাখা যায়, অথচ মাকে ফোনে কখনো বলতে পারেন না ভেতরের কষ্টটা, কারণ মা তো বিয়ের প্রথম দিন থেকেই বলে আসছেন, এত ভালো পাত্র হাতে পেয়েছিস, শুকরিয়া কর।
এই দৃশ্য নতুন কিছু না। বাংলাদেশের অসংখ্য ঘরে "লোকে কী বলবে" এই একটা প্রশ্ন এত গভীরভাবে বাসা বেঁধেছে যে দম্পতিরা বছরের পর বছর নিজেদের সমস্যা লুকিয়ে রেখে শুধু বাইরের জগতের জন্য একটা ঝকঝকে সংসারের ছবি বানিয়ে যান। ঈদ, বিয়েবার্ষিকী, পারিবারিক অনুষ্ঠান, প্রতিটা উপলক্ষেই একই অভিনয়, আর সেই অভিনয়ের মহড়া চলে পর্দার আড়ালে, যেখানে প্রকৃত অনুভূতিগুলো জমতে জমতে পাথর হয়ে যায়।
সিতর মানে লুকিয়ে একা কষ্ট পাওয়া নয়
ইসলাম ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয়ে একটা নির্দিষ্ট মাত্রার গোপনীয়তাকে গুরুত্ব দেয়, একে বলা হয় সিতর। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন —
মান সাতারা মুসলিমান সাতারাহুল্লাহু ফিদ-দুনইয়া ওয়াল আখিরাহ্ — অর্থ: যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখে, আল্লাহ তার দোষ-ত্রুটি দুনিয়া ও আখিরাতে গোপন রাখবেন। (সহীহ মুসলিম, হাদিস ২৬৯৯)
এই হাদিস শুনে অনেকে ভুল বোঝেন, ভাবেন সংসারের প্রতিটা কষ্ট নিজের মধ্যে চেপে রাখাই বুঝি দ্বীনদারি। বাস্তবে সিতরের অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন। সিতর মানে অকারণে সবার কাছে সঙ্গীর দুর্বলতা নিয়ে গল্প না করা, পাড়া-প্রতিবেশীর কাছে স্বামীর প্রতিটা ভুল বর্ণনা করে না বেড়ানো। এটা কখনো এই কথা বলে না যে প্রয়োজনের সময়ে একজন যোগ্য কাউন্সেলর, একজন আলেম বা অত্যন্ত বিশ্বস্ত কাউকে নিজের কষ্টের কথা জানানো যাবে না। একা কষ্ট বয়ে বেড়ানো আর সম্মান রক্ষা করা, এই দুইটা এক জিনিস না।
যে লুকোচুরি ধীরে ধীরে সম্পর্ককে ফাঁপা করে দেয়
মায়ের কাছ থেকে শেখা নীরবতা
ফারহানার মতো অনেক নারী নিজের মাকে দেখেই বড় হয়েছেন, যিনি সংসারের সব যন্ত্রণা মুখ বুজে সহ্য করে গেছেন, বাইরে কখনো একটা শব্দও প্রকাশ করেননি। এই আচরণকে পরিবারে ভালো স্ত্রীর গুণ হিসেবে দেখানো হয়, প্রশংসা করা হয়, অথচ এটা আসলে একটা ক্ষতিকর প্যাটার্ন যা কখনো প্রশ্ন করা হয়নি, ভাঙা তো দূরের কথা। মেয়ে বড় হয়ে নিজের সংসারেও একই প্যাটার্ন পুনরাবৃত্তি করেন, নিজের অজান্তেই।
জমতে থাকা ক্ষোভের বিস্ফোরণ
যে কষ্ট বছরের পর বছর গোপন রাখা হয়, তা একদিন হঠাৎ ফেটে পড়ে, হয়তো সামান্য একটা ঘটনায়, ভাতের প্লেটে লবণ কম হওয়া নিয়ে অস্বাভাবিক তীব্র ঝগড়ায়, অথবা রক্তচাপ-অনিদ্রার মতো শারীরিক উপসর্গে, কারো কারো ক্ষেত্রে আকস্মিক তালাকের সিদ্ধান্তে, যা প্রতিবেশীর চোখে হঠাৎ মনে হলেও আসলে বছরের পর বছর জমে থাকা কষ্টের চূড়ান্ত ফল। যে সমস্যা সময়মতো টেবিলে আনা যেত, তা দেরি করার কারণে এমন জটিল হয়ে যায় যে সমাধানের পথই সরু হয়ে আসে।
সন্তানের চোখে দুই আলাদা বাবা-মা
সবচেয়ে নীরব ক্ষতিটা হয় সন্তানের ওপর। বাচ্চারা সাধারণত মা-বাবার আসল সম্পর্কটা বুঝে ফেলে, বাইরে যতই হাসিমুখ দেখানো হোক না কেন। বাবা-মায়ের মধ্যে প্রকৃত উষ্ণতা নেই অথচ সবার সামনে অভিনয় চলছে, এই দ্বৈততা সন্তানকে শিখিয়ে দেয় সম্পর্ক মানেই একটা পারফরম্যান্স, আন্তরিকতা না। বড় হয়ে তাদের নিজেদের সংসারেও এই একই শেখা প্যাটার্ন ফিরে আসার আশঙ্কা থেকে যায়।
সামাজিক মাধ্যমের ঝকঝকে ফ্রেম আর বাস্তবতার ফারাক
ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে সংসারের একটা ঝকঝকে সংস্করণ তৈরি করার চাপ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রকট। প্রতিটা রেস্টুরেন্ট ডেট, প্রতিটা উপহার, প্রতিটা ভ্রমণের ছবি যখন পাবলিক অনুমোদনের জন্য পোস্ট হয়, তখন সংসারের প্রকৃত অবস্থা নিয়ে সততার জায়গাটা আরও সংকুচিত হয়ে যায়। মানুষ নিজের সংসারকে অন্যের পোস্ট করা সংসারের সাথে তুলনা করে হীনমন্যতায় ভোগে, অথচ ভুলে যায় অন্য পোস্টের পেছনেও হয়তো একই রকম লুকানো কষ্ট আছে। এই তুলনার চক্র থেকে সরে আসাটা এখন মানসিক সুস্থতার জন্য প্রায় অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
প্রথম দিকের সংকেত, যা প্রায়ই এড়িয়ে যাওয়া হয়
সংসার লুকোচুরির অভ্যাসে ঢুকে পড়ছে কিনা বোঝার কিছু সহজ লক্ষণ আছে। অতিথি এলে হঠাৎ গলার স্বর বদলে যাওয়া, ফোনে কেউ খোঁজ নিলে "আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি" বলার সময় চোখ নিচু হয়ে যাওয়া, বাসায় ঝগড়ার পরপরই কোনো পারিবারিক অনুষ্ঠানে গিয়ে অতি উৎসাহে হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করা, এই ধরনের ছোট ছোট অসংগতি আসলে বড় একটা প্যাটার্নের ইঙ্গিত দেয়। নিজের মধ্যে এই অসংগতি খেয়াল করলে সেটাকে অস্বীকার না করে বরং একটা সতর্কসংকেত হিসেবে দেখা জরুরি, কারণ যত আগে এই প্যাটার্ন চেনা যায়, তত সহজে এর থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হয়।
কাকে বিশ্বাস করে বলা যায়, কীভাবে বুঝবেন
যাকে বলছেন সে গোপন কথা অন্যত্র ছড়াবেন না, এটা কীভাবে বুঝবেন। যিনি নিজে কখনো তৃতীয় কারো পারিবারিক সমস্যা নিয়ে গল্প করে বেড়ান না, যিনি শোনার পর উপদেশের ঝুড়ি নিয়ে বসে না পড়ে আগে বোঝার চেষ্টা করেন, যিনি সমাধান জোর করে চাপিয়ে দেন না বরং পাশে থাকেন, তিনিই ভরসাযোগ্য। এমন একজন মানুষ খুঁজে বের করা সহজ না, তবে একজনও যদি পাওয়া যায়, তাতেই বিরাট পার্থক্য তৈরি হয়। একসাথে অনেকের কাছে বলার দরকার নেই, একজন বিশ্বস্ত মানুষই যথেষ্ট।
সঠিক ভারসাম্য: কাকে বলবেন, কীভাবে বলবেন
- সংসারের প্রতিটা সমস্যা সবাইকে জানানো এবং কারো কাছেই কিছু না বলা, এই দুই চরমের মাঝে একটা বাস্তবসম্মত পথ বেছে নিন, একজন বা দুজন অত্যন্ত বিশ্বস্ত মানুষ যাদের সাথে সত্যি কথা বলা যায়
- বাইরের কারো কাছে যাওয়ার আগে প্রথমে সঙ্গীর সাথে নিজেরাই সরাসরি বসে কথা বলার চেষ্টা করুন, রাগের মুহূর্তে না, শান্ত একটা সময়ে
- নিজেদের মধ্যে সমাধান না হলে লজ্জা বা সামাজিক ভাবমূর্তির ভয়ে দেরি না করে সময়মতো একজন কাউন্সেলর বা যোগ্য আলেমের সাহায্য নিন
- সামাজিক মাধ্যমে নিখুঁত সংসার দেখানোর অলিখিত প্রতিযোগিতা থেকে সচেতনভাবে নিজেকে সরিয়ে রাখুন
- নিজের অনুভূতিগুলো ডায়েরিতে লিখে বা বিশ্বস্ত কারো কাছে বলে হালকা করার অভ্যাস গড়ে তুলুন, ভেতরে জমতে না দিয়ে
মানসিক প্রশান্তির জন্য ঘরে ঢোকা ও বের হওয়ার সময় এই দোয়াটি নিয়মিত পড়া যেতে পারে।
আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাল মাওলাজি ওয়া খাইরাল মাখরাজি, বিসমিল্লাহি ওয়ালাজনা, ওয়া বিসমিল্লাহি খারাজনা, ওয়া আলাল্লাহি রাব্বিনা তাওয়াক্কালনা — অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে প্রবেশের কল্যাণ ও প্রস্থানের কল্যাণ চাই, আল্লাহর নামে আমরা প্রবেশ করলাম, আল্লাহর নামে আমরা বের হলাম, আর আমাদের প্রতিপালক আল্লাহর ওপরই আমরা ভরসা করলাম। (সুনানে আবু দাউদ)
প্রতিদিন ঘরে ঢোকার সময় এই দোয়া পড়ার অভ্যাস তৈরি হলে ধীরে ধীরে একটা বোধ তৈরি হয়, ঘরটা শুধু বাইরের জগত থেকে লুকানোর জায়গা না, বরং প্রকৃত প্রশান্তি খোঁজার জায়গা হয়ে ওঠে।
সঙ্গীর সাথে কথা বলার বাস্তব কৌশল
সরাসরি অভিযোগের ভাষায় শুরু করলে সঙ্গী রক্ষণাত্মক হয়ে পড়েন, ফলে কথাটা পৌঁছায় না। "তুমি কখনো আমার কথা শোনো না" এর বদলে "আমার মনে হয় আমরা দুজনেই ক্লান্ত, একটু সময় নিয়ে বসে কথা বলি" জাতীয় বাক্য অনেক বেশি কার্যকর। রাতে সন্তান ঘুমিয়ে পড়ার পর নির্দিষ্ট একটা সময় বেছে নিন যখন দুজনেরই মাথা ঠান্ডা থাকে, ফোন সরিয়ে রেখে সরাসরি চোখে চোখ রেখে কথা বলুন। একবারে সব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা না করে একটা একটা বিষয় নিয়ে অগ্রসর হওয়াই বাস্তবসম্মত।
যে ভুল ধারণাগুলো লুকোচুরিকে জিইয়ে রাখে
একটা প্রচলিত ধারণা হলো, সমস্যার কথা বললে সংসার ভেঙে যাবে, অথচ বাস্তবে বেশিরভাগ সংসার ভাঙে সমস্যা বলার কারণে না, বরং বছরের পর বছর না বলে জমিয়ে রাখার কারণে। আরেকটা ভুল ধারণা হলো, ধৈর্য মানে সব কষ্ট চুপচাপ সহ্য করে যাওয়া, অথচ ইসলামি অর্থে সবর মানে বিপদের মুখে অটল থাকা, নিজের ন্যায্য অধিকার বা কষ্টের কথা বলার সুযোগ ত্যাগ করা না। তৃতীয় একটা ধারণা হলো, একজন কাউন্সেলরের কাছে যাওয়া মানেই সংসার ব্যর্থ হয়ে যাওয়ার স্বীকৃতি, অথচ বাস্তবে সময়মতো সাহায্য নেওয়া সংসার বাঁচানোর একটা সক্রিয় প্রচেষ্টা, পরাজয়ের ঘোষণা না।
কখন পেশাদার সাহায্য নেওয়া জরুরি
সংসারের সমস্যা যদি বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকে অথচ কোনো সমাধানের পথ দেখা না যায়, বা একই ঝগড়া বারবার একই বৃত্তে ঘুরতে থাকে, তাহলে একজন ম্যারিজ কাউন্সেলর বা থেরাপিস্টের সাহায্য নেওয়া উচিত। এটাকে দুর্বলতা বা লজ্জার বিষয় হিসেবে না দেখে শারীরিক অসুস্থতায় ডাক্তারের কাছে যাওয়ার মতোই স্বাভাবিক একটা পদক্ষেপ হিসেবে দেখুন। ধর্মীয় জটিলতা থাকলে একজন যোগ্য আলেমের পরামর্শও নেওয়া যায়। কারো কারো ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অশান্তির পাশাপাশি অস্বাভাবিক ভয়, দুঃস্বপ্ন বা হঠাৎ পরিবর্তিত আচরণ দেখা দিলে রুকইয়াহর মাধ্যমে সেই দিকটাও যাচাই করে দেখা যেতে পারে, আল-শিফায় এমন পরিস্থিতিতে পরামর্শের সুযোগ আছে। তবে মূল কথা হলো, একা এই দায়িত্ব বহন করার চেষ্টা না করে দুজনে মিলে বা প্রয়োজনে তৃতীয় কারো সহায়তায় সমাধানের পথ খোঁজা।
ফলাফলের নিশ্চয়তা নেই, সততাই একমাত্র পথ
সমস্যা প্রকাশ করলেই তা সমাধান হয়ে যাবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই, তবে গোপন রাখলে সমাধানের সম্ভাবনা আরও কমে যায়, এটা নিশ্চিত। এখানে যা বলা হলো তা কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক দিকনির্দেশনা মাত্র, এটি পেশাদার কাউন্সেলিং বা আইনি পরামর্শের বিকল্প নয়। সমাধান একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে, কোনো বশীকরণ, পাল্টা জাদু, তাবিজ বা তদবির-শাস্ত্রের বই থেকে নেওয়া কোনো আমলের মাধ্যমে সংসারের সমস্যা লুকিয়ে সমাধান করার চেষ্টা এখানে সুপারিশ করা হচ্ছে না, বরং সৎ ও খোলামেলা পদক্ষেপকেই একমাত্র বাস্তবসম্মত পথ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।
নিজের ঘরের বাস্তবতা মেনে নেওয়া আর সময়মতো সঠিক জায়গায় সাহায্য চাওয়া, এই দুটোতেই আসল সাহস লুকিয়ে থাকে। ফারহানার মতো যারা প্রতিদিন সকালে ঘুম ভেঙে সংসারটা কীভাবে টিকিয়ে রাখা যায় ভাবেন, তাদের জন্য প্রথম পদক্ষেপ হয়তো একটাই, বাইরের সাজানো ছবির চেয়ে ভেতরের প্রকৃত শান্তিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া শুরু করা।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন · রুকইয়াহ শারইয়্যাহ সার্টিফিকেট কোর্স
আরও পড়ুন
- স্বামীর রাগের মাথায় তালাক শব্দ বলে ফেলা: করণীয় ও ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি
- প্রবাসফেরত স্বামীর সংসারে মানিয়ে নিতে না পারা ও স্ত্রীর স্বাধীনতা নিয়ে দ্বন্দ্ব
- সন্তানেরা বড় হওয়ার পর দাম্পত্য জীবনে একঘেয়েমি ও দূরত্ব
- স্বামীর মাদকাসক্তি বা জুয়ার নেশায় সংসার ধ্বংসের মুখে: স্ত্রীর করণীয়
- তালাকের পর সন্তানের অভিভাবকত্ব নিয়ে মানসিক দ্বন্দ্ব ও ইসলামি নির্দেশনা
- বারবার গর্ভপাতের কারণে দাম্পত্য সম্পর্কে ফাটল ও মানসিক যন্ত্রণা
https://alshifa.bd/blog/hiding-marital-problems-for-appearance