
স্বামীর মাদকাসক্তি বা জুয়ার নেশায় সংসার ধ্বংসের মুখে: স্ত্রীর করণীয়
স্বামীর মাদকাসক্তি বা জুয়ার নেশায় সংসারে আর্থিক ধ্বংস ও পারিবারিক ভাঙনের মুখে থাকা স্ত্রীদের জন্য সূরা আল-মায়িদার নির্দেশনা এবং বাস্তবসম্মত করণীয়ের বিস্তারিত আলোচনা।
লিখেছেন হযরত মাওলানা আল আমিন · প্রকাশ · হালনাগাদ
রুবিনার স্বামী প্রথম দিকে বন্ধুদের সাথে মাঝেমধ্যে তাস খেলতেন, নিছক আড্ডার ছলে, দুইশো-তিনশো টাকার বাজি। কয়েক বছরের মধ্যে সেই অভ্যাস গড়িয়ে গেল অনলাইন বেটিং আর জুয়ার অ্যাপে। প্রথমে অল্প টাকা, তারপর বেতনের বড় অংশ, একসময় ঘরের আসবাব বিক্রি করে দেনা শোধ করার পরিস্থিতি তৈরি হলো। বাচ্চাদের স্কুলের বেতন বাকি পড়ে আছে তিন মাস ধরে, মোবাইলে বারবার এনজিওর কিস্তির রিমাইন্ডার আসে, আর রুবিনা প্রতি রাতে ভাবেন, এই সংসারটা আদৌ টিকিয়ে রাখা সম্ভব কিনা, নাকি নিজের ও সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসে গেছে। একদিন রাতে তিনি দেখলেন স্বামী তার বিয়ের গয়নার বাক্সটা খুঁজছেন, মুখে কোনো লজ্জা নেই, শুধু একটা তাড়া, পরের বাজিটা ধরার তাড়া।
মাদকাসক্তি বা জুয়ার নেশা শুধু একজন ব্যক্তির সমস্যা না, এটা পুরো পরিবারের ওপর ধীরে ধীরে ভেঙে পড়া একটা কাঠামোর মতো কাজ করে। আর্থিক সংকট, বিশ্বাসভঙ্গ, সন্তানদের মানসিক ক্ষতি, সবকিছু একসাথে জড়িয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে স্ত্রীর জন্য সঠিক পথ খুঁজে বের করা কঠিন, কারণ একদিকে সংসার বাঁচানোর দায়িত্ববোধ, অন্যদিকে নিজের ও সন্তানদের নিরাপত্তার প্রশ্ন।
কুরআনের সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা
মদ ও জুয়া সম্পর্কে ইসলামের অবস্থান অস্পষ্ট না। আল্লাহ তায়ালা সূরা আল-মায়িদায় বলেন।
ইয়া আইয়ুহাল্লাযীনা আমানু ইন্নামাল খামরু ওয়াল মাইসিরু ওয়াল আনসাবু ওয়াল আযলামু রিজসুম মিন আমালিশ শাইতানি ফাজতানিবুহু লাআল্লাকুম তুফলিহুন, ইন্নামা ইউরিদুশ শাইতানু আইঁ ইউক্বিআ বাইনাকুমুল আদাওয়াতা ওয়াল বাগদাআ ফিল খামরি ওয়াল মাইসিরি ওয়া ইয়াসুদ্দাকুম আন যিকরিল্লাহি ওয়া আনিস সালাহ — অর্থ: হে ঈমানদারগণ, মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য নির্ধারক তীর, এসব শয়তানের কার্যকলাপের অন্তর্ভুক্ত ঘৃণ্য বস্তু, সুতরাং তোমরা এগুলো থেকে বিরত থাকো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো। শয়তান তো চায় মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের মাঝে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও নামায থেকে তোমাদের বিরত রাখতে। (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত ৯০-৯১)
এই আয়াতে আল্লাহ নিজেই বলে দিয়েছেন মদ ও জুয়ার মূল প্রভাব কী, পারিবারিক শত্রুতা, বিদ্বেষ এবং আল্লাহর স্মরণ থেকে দূরত্ব। রুবিনার সংসারে যা ঘটছে তা এই আয়াতের বাস্তব প্রতিফলন। এটা বোঝা জরুরি যে এই সমস্যা কোনো সাধারণ চারিত্রিক দুর্বলতা না, বরং একটা আসক্তি যা মস্তিষ্কের রাসায়নিক প্রক্রিয়াকে পরিবর্তন করে ফেলে, আর তাই এর মোকাবিলাও শুধু উপদেশ দিয়ে সম্ভব না।
এই সমস্যার গভীরতা বোঝা
আসক্তি একটা রোগ, শুধু নৈতিক ব্যর্থতা না
অনেক পরিবার আসক্তিকে দেখে শুধু খারাপ সঙ্গ বা ইচ্ছাশক্তির অভাব হিসেবে। বাস্তবে দীর্ঘমেয়াদি আসক্তি মস্তিষ্কের পুরস্কার-ব্যবস্থাকে এমনভাবে বদলে দেয় যে শুধু ইচ্ছাশক্তি দিয়ে তা কাটিয়ে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ে। এটা বোঝা জরুরি, কারণ এটা বুঝলে পরিবার আসক্ত ব্যক্তিকে শুধু দোষারোপ না করে চিকিৎসার দিকে ঠেলে দিতে পারে।
অস্বীকার ও লুকোচুরির প্যাটার্ন
আসক্ত ব্যক্তি প্রায়ই নিজের সমস্যা অস্বীকার করেন, মিথ্যা বলেন, টাকার উৎস নিয়ে ভুল তথ্য দেন। এই লুকোচুরি পরিবারের মধ্যে বিশ্বাসের সংকট তৈরি করে, যা শুধু আর্থিক ক্ষতির চেয়েও গভীর ক্ষত রেখে যায়। একবার মিথ্যা ধরা পড়ার পর থেকে স্ত্রীর মনে প্রতিটা কথাতেই সন্দেহ জাগে, এমনকি সত্যি কথা বললেও তা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়।
পারিবারিক ঋণের ফাঁদ ও সামাজিক লজ্জা
জুয়ার দেনা মেটাতে প্রথমে আত্মীয়দের কাছ থেকে, পরে এনজিও বা সুদি মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। একটা ঋণ শোধ করতে আরেকটা ঋণ নেওয়ার এই চক্র পরিবারকে ক্রমশ গভীর সংকটে ঠেলে দেয়। এর সাথে যুক্ত হয় সামাজিক লজ্জা, প্রতিবেশী বা আত্মীয়রা জেনে ফেললে কী ভাববে এই ভয়ে অনেক পরিবার সমস্যাটা লুকিয়ে রাখেন, ফলে সময়মতো সাহায্য চাওয়া হয় না, আর সংকট আরও গভীর হতে থাকে।
সন্তানদের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব
ঘরে বাবার জুয়া বা মাদকাসক্তির কারণে তৈরি হওয়া উত্তেজনা, ঝগড়া আর আর্থিক অনিশ্চয়তা সন্তানদের মানসিক বিকাশে গভীর প্রভাব ফেলে। তারা স্কুলে মনোযোগ দিতে পারে না, কেউ কেউ প্রত্যাহারপ্রবণ হয়ে যায়, কেউ আবার বড় হয়ে নিজেও একই ধরনের আসক্তির ঝুঁকিতে পড়ে, কারণ ঘরে দেখা এই আচরণ তাদের কাছে একরকম স্বাভাবিক হয়ে যায়। এই প্রজন্মান্তরিত প্রভাব একটা বড় কারণ কেন এই সমস্যাকে দ্রুত ও গুরুত্বের সাথে মোকাবিলা করা প্রয়োজন।
সমস্যাটা কতদূর গড়িয়েছে তা বোঝার লক্ষণ
অনেক স্ত্রী শুরুতে বুঝতেই পারেন না সমস্যাটা ঠিক কতটা গুরুতর হয়ে গেছে, কারণ আসক্ত ব্যক্তি নিপুণভাবে সত্য লুকিয়ে রাখতে শেখেন। কিছু লক্ষণ থেকে পরিস্থিতির গভীরতা বোঝা যেতে পারে।
- বেতন পাওয়ার পরপরই টাকা কোথায় যাচ্ছে তার হিসাব না মেলা, বারবার ধারের কথা শোনা
- ঘরের জিনিসপত্র বা গয়না অস্বাভাবিকভাবে হারিয়ে যাওয়া বা বিক্রি হয়ে যাওয়া
- ফোন বা লেনদেনের অ্যাপ লুকিয়ে রাখা, প্রশ্ন করলে অতিরিক্ত রেগে যাওয়া
- কাজে অনিয়মিত হয়ে পড়া, চাকরি হারানোর ঝুঁকি তৈরি হওয়া
- প্রতিশ্রুতি দিয়ে বারবার তা ভঙ্গ করা, "এবারই শেষ" বলার পরও আবার একই আচরণে ফিরে যাওয়া
এই লক্ষণগুলো একসাথে বা ক্রমাগত দেখা দিলে বিষয়টাকে আর অবহেলা করার সুযোগ থাকে না, বরং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
অন্তর্নিহিত মানসিক সংকট প্রায়ই আড়ালে থেকে যায়
অনেক ক্ষেত্রে আসক্তির পেছনে থাকে চিকিৎসাহীন বিষণ্নতা, উদ্বেগ বা কর্মক্ষেত্রের ব্যর্থতাজনিত হতাশা। মানুষ এই কষ্ট থেকে সাময়িক মুক্তি খুঁজতে গিয়ে নেশা বা জুয়ার দিকে ঝুঁকে পড়ে, যা আসলে সমস্যার সমাধান না, বরং সাময়িক পলায়ন। এই অন্তর্নিহিত কারণটা চিহ্নিত করা না গেলে শুধু আসক্তি বন্ধ করানোর চেষ্টা করলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না, কারণ মূল কষ্টটা রয়েই যায়।
স্ত্রীর জন্য বাস্তবসম্মত করণীয়
এই পরিস্থিতিতে একা মোকাবিলা করার চেষ্টা না করে কিছু নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
- স্বামীর সাথে অপমান বা লজ্জা দেওয়ার ভাষায় না, বরং উদ্বেগ ও যত্নের ভাষায় কথা বলার চেষ্টা করা, যদিও এটা কঠিন
- পরিবারের একজন বিশ্বস্ত মুরুব্বি বা শ্রদ্ধেয় আলেমকে বিষয়টা জানিয়ে হস্তক্ষেপের অনুরোধ করা
- নিজের ও সন্তানদের প্রয়োজনীয় খরচের জন্য আলাদা সঞ্চয়ের ব্যবস্থা রাখা, যাতে জুয়া বা নেশার কারণে পুরো পরিবার আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত না হয়
- মূল্যবান কাগজপত্র, গয়না বা সঞ্চয়ের তথ্য নিরাপদ জায়গায় রাখা, প্রয়োজনে নিজের নামে আলাদা একটা ব্যাংক হিসাব খোলা
- সন্তানদের সামনে ঝগড়া বা এই বিষয়ে আলোচনা এড়িয়ে চলা, তাদের মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
- নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হওয়া, এই দীর্ঘ মানসিক চাপ সহ্য করার জন্য নিজেকে ভেঙে পড়তে না দেওয়া
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নেশাজাতীয় বস্তু সম্পর্কে স্পষ্ট করে বলেছেন।
কুল্লু মুসকিরিন হারাম — অর্থ: প্রতিটি নেশাজাতীয় বস্তুই হারাম। (সহীহ মুসলিম, হাদিস ২০০৩)
এই স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা মনে রেখে স্বামীর হেদায়েতের জন্য নিয়মিত দোয়া করা যেতে পারে, আল্লাহর কাছে তার অন্তর পরিবর্তনের জন্য প্রার্থনা করা। এর পাশাপাশি রুকইয়াহভিত্তিক আমল, যেমন নিয়মিত আয়াতুল কুরসি ও সূরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত তিলাওয়াত করা, ঘরের পরিবেশে শয়তানের প্ররোচনা কমাতে সহায়ক হতে পারে, তবে এটা কোনোভাবেই চিকিৎসাগত ডিটক্স বা পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার বিকল্প না।
কখন পেশাদার সাহায্য অপরিহার্য
মাদক বা জুয়ার আসক্তি এমন একটা সমস্যা যেখানে শুধু পারিবারিক চেষ্টা বা ধর্মীয় উপদেশ যথেষ্ট না। একজন আসক্তি বিশেষজ্ঞ বা স্বীকৃত পুনর্বাসন কেন্দ্রের সাহায্য নেওয়া প্রায় অপরিহার্য, বিশেষত যদি শারীরিক নির্ভরতা তৈরি হয়ে গিয়ে থাকে। এছাড়া যদি আর্থিক ক্ষতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে পরিবারের মৌলিক চাহিদা, খাবার, বাসস্থান, সন্তানদের শিক্ষা, হুমকির মুখে পড়ে, তাহলে একজন আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করে নিজের ও সন্তানদের আর্থিক অধিকার সুরক্ষিত করার ব্যবস্থা নেওয়া বিবেচনা করা উচিত। বাংলাদেশে এখন বেশ কিছু স্বীকৃত মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্র রয়েছে যেখানে ধাপে ধাপে ডিটক্সিফিকেশন, কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়, আর জুয়ার আসক্তির জন্য মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা আচরণ থেরাপিস্টের সহায়তা নেওয়া যায়। শুধু আসক্ত ব্যক্তি না, পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্যও পৃথক কাউন্সেলিং বা সহায়তা গোষ্ঠীতে যুক্ত হওয়া উপকারী, কারণ দীর্ঘদিন এই চাপের মধ্যে থাকা একজন স্ত্রীরও নিজস্ব মানসিক পুনর্বাসন প্রয়োজন হতে পারে। যদি আসক্তির সাথে শারীরিক নির্যাতন বা পরিবারের নিরাপত্তা বিপন্ন হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়, তখন সবর করে থাকার চেয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই অগ্রাধিকার হওয়া উচিত, ইসলাম কখনো নিজেকে বা সন্তানদের ক্ষতির মুখে ফেলে সীমাহীন সহ্য করার নির্দেশ দেয় না।
ফলাফলের কোনো নিশ্চয়তা নেই
এটা স্বীকার করা জরুরি যে প্রতিটা আসক্ত ব্যক্তি চিকিৎসা বা পারিবারিক হস্তক্ষেপে সাড়া দেন না। কিছু ক্ষেত্রে সংসার বাঁচানো সম্ভব হয়, কিছু ক্ষেত্রে আলাদা হয়ে যাওয়াই একমাত্র বাস্তবসম্মত পথ থেকে যায়। এই সিদ্ধান্ত একান্তই ব্যক্তিগত ও পরিস্থিতিনির্ভর, এবং এই বিষয়ে একজন যোগ্য আলেমের কাছ থেকে ফিকহি পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। এখানে দেওয়া প্রতিটা পরামর্শ কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক দিকনির্দেশনা, পেশাদার চিকিৎসা বা আইনি পরামর্শের বিকল্প না, এবং কোনো তাবিজ, বশীকরণ বা তদবির-জাতীয় আমল দিয়ে আসক্তি সারিয়ে তোলার দাবি এখানে করা হচ্ছে না, নিরাময় একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। যাদের এই সংকট নিয়ে মানসিক চাপ সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে, তাদের জন্য আলশিফায় নিয়মিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট ৪৯৯ টাকায়, জরুরি প্রয়োজনে রাত ৭টা থেকে ১১টার মধ্যে ৯৯৯ টাকায় ওয়েবসাইট থেকে বুক করার সুযোগ আছে, বাংলা কিউআর কোডে পেমেন্ট সম্পন্ন হলে যোগাযোগের নম্বর পাঠানো হয়।
শেষ কথা
মাদক বা জুয়ার নেশায় জর্জরিত সংসারে যে নারী টিকে থাকার চেষ্টা করছেন, তার সাহস ও ধৈর্য সহজে মূল্যায়নযোগ্য না। কিন্তু ধৈর্যের অর্থ নিজেকে বা সন্তানদের অসীম ক্ষতির মুখে ফেলে রাখা না। সঠিক পথ হলো আন্তরিকভাবে চেষ্টা করা, পেশাদার সাহায্য নেওয়া, নিজের ও সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, এবং বাকিটা আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া। রুবিনার মতো যারা প্রতি রাতে এই কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হচ্ছেন, তাদের জন্য প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে একজন বিশ্বস্ত মানুষের কাছে নিজের কষ্টের কথা খুলে বলা, একা এই বোঝা আর না বহন করা।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন · রুকইয়াহ শারইয়্যাহ সার্টিফিকেট কোর্স
আরও পড়ুন
- স্বামীর রাগের মাথায় তালাক শব্দ বলে ফেলা: করণীয় ও ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি
- প্রবাসফেরত স্বামীর সংসারে মানিয়ে নিতে না পারা ও স্ত্রীর স্বাধীনতা নিয়ে দ্বন্দ্ব
- সন্তানেরা বড় হওয়ার পর দাম্পত্য জীবনে একঘেয়েমি ও দূরত্ব
- তালাকের পর সন্তানের অভিভাবকত্ব নিয়ে মানসিক দ্বন্দ্ব ও ইসলামি নির্দেশনা
- বারবার গর্ভপাতের কারণে দাম্পত্য সম্পর্কে ফাটল ও মানসিক যন্ত্রণা
- ননদ ও শ্বশুরবাড়ির কটূক্তি সহ্য করে সংসার টিকিয়ে রাখা