পরকীয়ার পর বিশ্বাস পুনর্গঠন সম্ভব কি, কীভাবে

পরকীয়ার পর বিশ্বাস পুনর্গঠন সম্ভব কি, কীভাবে

পরকীয়ার পর সম্পর্কে বিশ্বাস আবার গড়ে তোলা কতটা সম্ভব, কেন মানুষ পরকীয়ায় জড়ায়, বাস্তবিক পদক্ষেপ কী কী, আর কখন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা ঠিক না তার বিস্তারিত আলোচনা।

লিখেছেন হযরত মাওলানা আল আমিন · প্রকাশ · হালনাগাদ

নীলার স্বামীর ফোনটা চার্জে বসানো ছিল, স্ক্রিনে একটা মেসেজ ভেসে উঠল, নামটা তার পরিচিত কারো না। কৌতূহলবশত ফোনটা তুলে তিনি যা দেখলেন, তা তার পুরো পৃথিবীটাকে এক মুহূর্তে উল্টে দিল। মাসের পর মাস ধরে চলা কথোপকথন, প্রেমের ভাষা, পরিকল্পনার বিস্তারিত বিবরণ, সবকিছু সেখানে খোলাখুলি লেখা। নীলা সেই রাতে বাথরুমের দরজা বন্ধ করে ফ্লোরে বসে পড়েছিলেন, নিজের কান্নার শব্দ যাতে কেউ শুনতে না পায় সেজন্য মুখে হাত চেপে ধরেছিলেন। পরদিন সকালে সন্তানদের স্কুলের টিফিন বানাতে হয়েছিল, হাসিমুখে "সাবধানে থেকো" বলে বিদায় দিতে হয়েছিল, ভেতরে ভেতরে যেন পুরো অস্তিত্বটাই ভেঙে পড়েছে তখন।

পরকীয়া ধরা পড়ার এই মুহূর্তটা প্রতিটা মানুষের জীবনে আলাদাভাবে আসে, কিন্তু ভেতরের অনুভূতিটা প্রায় একইরকম, বিশ্বাসঘাতকতার একটা তীব্র ধাক্কা, নিজের বিচারবুদ্ধি নিয়ে সন্দেহ, আর ভবিষ্যতের প্রতি এক অজানা ভয়। এই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার পর সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা দাঁড়ায়, বিশ্বাস কি আবার তৈরি হতে পারে? উত্তরটা একবাক্যে দেওয়া যায় না, কারণ এটা নির্ভর করে দুজনের আন্তরিকতা, ঘটনার ধরন এবং সময়ের ওপর। তবে সম্ভাবনা যে আছে, তা অস্বীকার করারও উপায় নেই।

ক্ষমা ও উপেক্ষার কুরআনি শিক্ষা

বিশ্বাসঘাতকতার পর ক্ষমা করা কতটা কঠিন, তা যারা এই পথ পার করেছেন তারাই জানেন। অথচ কুরআনে আল্লাহ তায়ালা ক্ষমার একটা অসাধারণ দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন, যখন হযরত আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে নিয়ে মিথ্যা অপবাদের ঘটনার পর আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তার আত্মীয় মিসতাহকে সাহায্য করা বন্ধ করে দিতে চেয়েছিলেন।

ওয়াল ইয়াফু ওয়াল ইয়াসফাহু, আলা তুহিব্বুনা আন ইয়াগফিরাল্লাহু লাকুম — অর্থ: তারা যেন ক্ষমা করে দেয় এবং উপেক্ষা করে। তোমরা কি চাও না যে আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করে দিন? (সূরা আন-নূর, আয়াত ২২)

এই আয়াত থেকে ক্ষমার একটা গুরুত্বপূর্ণ নীতি বোঝা যায়, ক্ষমা করাটা বড় মনের পরিচয়, আর আল্লাহর কাছে নিজের ক্ষমা পাওয়ার আশা রাখা মানুষটার নিজের মধ্যেও ক্ষমার জায়গা তৈরি করা উচিত। তবে ক্ষমা করার অর্থ এই না যে যা ঘটেছে তা নিয়ে আর কোনো কথা বলা যাবে না, বা সাথে সাথেই সব ভুলে স্বাভাবিক হয়ে যেতে হবে। ক্ষমা একটা সিদ্ধান্ত, যেটা নেওয়ার পরেও অনুভূতিতে সেটা পৌঁছাতে সময় লাগে। নীলার জন্য ক্ষমা করার সিদ্ধান্তটা এক রাতে নেওয়া গেলেও, স্বামীকে আবার পূর্ণ বিশ্বাস করতে পারা লেগেছিল প্রায় দুই বছর।

প্রথমেই বাস্তবতা মেনে নেওয়া দরকার

বিশ্বাস ভাঙার আগে যে সম্পর্কটা ছিল, ঠিক সেই একই সম্পর্ক আর কখনো ফিরে আসবে না, এই কথাটা মেনে নেওয়া কষ্টকর হলেও জরুরি। নতুন যে সম্পর্কটা গড়ে উঠবে, সেটা আগের মতো সরল বিশ্বাসের ওপর দাঁড়াবে না, বরং সচেতন সিদ্ধান্ত আর ধারাবাহিক প্রমাণের ওপর দাঁড়াবে। প্রথম কয়েক সপ্তাহ বা মাসে সন্দেহ ফিরে ফিরে আসবে, ছোট ছোট বিষয়েও প্রশ্ন জাগবে, ফোন কেন দেরিতে ধরল, অফিস থেকে ফিরতে কেন দশ মিনিট দেরি হলো, এসব প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাক খাবে। এটা দুর্বলতা না, বরং একটা প্রাকৃতিক প্রতিক্রিয়া, যা সময়ের সাথে ধীরে ধীরে কমে আসে, যদি সঙ্গীর আচরণে ধারাবাহিক স্বচ্ছতা থাকে।

কেন মানুষ পরকীয়ায় জড়ায়

দীর্ঘদিনের অবহেলা ও মানসিক শূন্যতা

অনেক ক্ষেত্রে পরকীয়ার শুরুটা হয় শারীরিক আকর্ষণ থেকে না, বরং মানসিক শূন্যতা থেকে। সংসারে বছরের পর বছর একে অপরের কথা শোনা বন্ধ হয়ে গেলে, প্রশংসা বা মনোযোগ না পেলে, মানুষ সেই শূন্যতা পূরণের জন্য বাইরের কারো সাথে সংযোগ খুঁজে নেয়। এটা কোনো অজুহাত না, কিন্তু কারণটা বোঝা গেলে ভবিষ্যতে একই ভুল এড়ানো সহজ হয়।

সুযোগ ও প্রযুক্তির ভূমিকা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আর অফিসের সহকর্মীদের সাথে দীর্ঘ সময় কাটানোর সুযোগ পরকীয়ার সম্ভাবনা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। যে সম্পর্কটা নিছক পেশাগত বা সামাজিক ছিল, ধীরে ধীরে সীমারেখা অতিক্রম করে তা গভীর হয়ে ওঠে, প্রায়ই এমনভাবে যে জড়িত ব্যক্তি নিজেও প্রথমে বুঝতে পারেন না কখন সীমা পার হয়ে গেছে।

প্রতিশোধমূলক পরকীয়া

কিছু ক্ষেত্রে একজন সঙ্গী প্রথমে বিশ্বাসঘাতকতা করেন, আর অন্যজন কষ্ট আর ক্ষোভ থেকে প্রতিশোধ হিসেবে নিজেও একই পথে পা বাড়ান। এই ধরনের পরিস্থিতি সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে, কারণ তখন দুজনেই আহত এবং দুজনেরই দায় থাকে, ফলে পুনর্গঠনের প্রক্রিয়াটা আরও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

প্রত্যাশা নিয়ে কখনো খোলাখুলি কথা না হওয়া

অনেক দম্পতি বিয়ের শুরু থেকেই একে অপরের কাছ থেকে কী চান তা স্পষ্ট করে বলেন না, ধরে নেন সঙ্গী এমনিতেই বুঝে যাবে। বছরের পর বছর এই না-বলা প্রত্যাশাগুলো পূরণ না হতে হতে একটা হতাশা জমতে থাকে, যা কখনো কখনো ভুল পথে বহিঃপ্রকাশ পায়। এই প্যাটার্নটা বোঝা গেলে ভবিষ্যতে সম্পর্কে নিজের চাহিদা ও অনুভূতি খোলাখুলি জানানোর অভ্যাস তৈরি করা সহজ হয়।

যিনি এই ভুল করেছেন, তার জন্য নিজের ভেতরে সত্যিকারের অনুশোচনা ও তওবার জায়গা তৈরি করাটাও জরুরি, শুধু স্ত্রীর সামনে ক্ষমা চাওয়া নয়, বরং আল্লাহর কাছেও আন্তরিকভাবে ফিরে আসা। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে নিজের বান্দাদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, নিজের গুনাহ যত বড়ই হোক, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ না হতে (সূরা আয-যুমার, আয়াত ৫৩)। এই আশ্বাস যেমন ভুলকারীর জন্য প্রযোজ্য, তেমনি এটাও মনে রাখা দরকার যে প্রকৃত তওবার একটা অংশ হলো একই ভুলের দিকে ফিরে না যাওয়ার দৃঢ় সংকল্প ও তার প্রমাণ রাখা আচরণে।

সন্তানদের সামনে এই সংকট সামলানো

ঘরে সন্তান থাকলে এই সংকট আরও জটিল হয়ে ওঠে। ছোট সন্তানরা বাবা-মায়ের মাঝের টানাপোড়েন সরাসরি না বুঝলেও পরিবেশের পরিবর্তন ঠিকই অনুভব করে, তাদের আচরণে অস্থিরতা বা ভয় দেখা দিতে পারে। বড় সন্তানরা আরও স্পষ্টভাবে বুঝে ফেলতে পারে, বিশেষ করে যদি বাসায় ঝগড়া বা কান্নাকাটি লুকানো না যায়। সন্তানদের সামনে বিস্তারিত ঘটনা না বলে বরং এটুকু জানানো যথেষ্ট যে বাবা-মায়ের মধ্যে একটা সমস্যা হয়েছে যা তারা মিলে সমাধানের চেষ্টা করছেন। কোনো এক পক্ষকে সন্তানের কাছে সরাসরি "খলনায়ক" বানিয়ে ফেলাটা স্বল্পমেয়াদে হয়তো মানসিক সান্ত্বনা দেয়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে সন্তানের মানসিক গঠনে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

সম্পর্ক জোড়া লাগানোর বাস্তবিক পদক্ষেপ

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবিদের সম্পর্ক মেরামতের গুরুত্ব সম্পর্কে বলেছেন।

আলা উখবিরুকুম বিআফদালা মিন দারাজাতিস সিয়ামি ওয়াস সালাতি ওয়াস সাদাক্বাহ, ইসলাহু যাতিল বাইন — অর্থ: আমি কি তোমাদের এমন কিছুর কথা বলব যা রোজা, নামাজ ও দান-খয়রাতের চেয়েও উত্তম? তা হলো মানুষের মধ্যে সম্পর্ক ঠিক করে দেওয়া। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ৪৯১৯; জামে তিরমিযি, হাদিস ২৫০৯)

সংসার ভাঙার চেয়ে জোড়া লাগানোর চেষ্টাকে ইসলাম অনেক উঁচু মর্যাদা দিয়েছে, তবে এই জোড়া লাগানো একতরফা চেষ্টায় হয় না, দুজনের সমান আন্তরিকতা লাগে।

  • যে সঙ্গী ভুল করেছেন, তার পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা থাকা দরকার, লুকোচুরি বা অর্ধেক সত্যি বলা সম্পর্ককে আরও পিছিয়ে দেয়
  • ভুল স্বীকার করার পর বারবার অজুহাত বা অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানো বন্ধ করতে হবে, "তুমি সময় দিতে না" বলে নিজের কৃতকর্ম হালকা করার চেষ্টা করা যাবে না
  • তৃতীয় ব্যক্তির সাথে সমস্ত যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে, আংশিক দূরত্ব রেখে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চেষ্টা কাজ করে না
  • দুজনে মিলে সময় নির্দিষ্ট করে সম্পর্কের অবস্থা নিয়ে খোলামেলা কথা বলার অভ্যাস তৈরি করুন, শুধু ঝগড়ার সময় না
  • প্রয়োজনে দম্পতি কাউন্সেলিং নেওয়া যায়, এটা দুর্বলতার লক্ষণ না, বরং সম্পর্ক বাঁচানোর সিরিয়াস চেষ্টার লক্ষণ

যে ভুলগুলো পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে থমকে দেয়

অনেক দম্পতি আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেও কিছু সাধারণ ভুলের কারণে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া থমকে যায়। প্রতিটা ঝগড়ায় পুরনো ঘটনাটা টেনে এনে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা এর মধ্যে অন্যতম, এতে যিনি ভুল করেছিলেন তিনি কখনোই সেই অতীত থেকে মুক্তি পান না, আর সম্পর্কে স্থায়ী তিক্ততা থেকে যায়। আরেকটা সাধারণ ভুল হলো, বন্ধু বা আত্মীয়দের কাছে পুরো ঘটনা বিস্তারিত বলে বেড়ানো, যা সামাজিক লজ্জার একটা স্তর যোগ করে যা সম্পর্ক পুনর্গঠনে বাড়তি চাপ তৈরি করে। এছাড়া শুধু একজন সঙ্গী প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া, অন্যজন নিষ্ক্রিয় থেকে যাওয়াও প্রক্রিয়াটাকে ব্যর্থ করে দেয়।

যখন সম্পর্ক আর টেকানো ঠিক না

এটাও সত্যি যে প্রতিটা সম্পর্ক জোড়া লাগানো উচিত না, এবং প্রতিবার সম্ভবও না। বারবার একই ভুলের পুনরাবৃত্তি, অনুশোচনার লেশমাত্র না থাকা, বা সম্পর্কে শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের মতো বিষয় থাকলে শুধু ধৈর্য ধরে থাকাটা সমাধান না। এমন পরিস্থিতিতে নিজের এবং সন্তানদের নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে প্রাধান্য দেওয়াটাই বিচক্ষণতা। যিনি বারবার ক্ষমা চেয়েও একই আচরণ করে যান, তার কথায় নয়, ধারাবাহিক আচরণেই আসল পরিবর্তন যাচাই করতে হবে। কেউ যদি নিজের ভুল স্বীকার করার বদলে বারবার স্ত্রীকেই দোষারোপ করেন, বা পরিস্থিতিকে লঘু করে দেখান, তাহলে সেটাও প্রকৃত পরিবর্তনের অনুপস্থিতির একটা স্পষ্ট ইঙ্গিত।

কখন পেশাদার সাহায্য প্রয়োজন

বিশ্বাস ভাঙার পর মনের মধ্যে যে ভারী একটা অনুভূতি থেকে যায়, সবসময় সতর্ক থাকা, ঘুম না হওয়া, বিশ্বাস করতে চেয়েও না পারা, এই মানসিক জট একা সামলানো কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এই পরিস্থিতিতে একজন দম্পতি কাউন্সেলর বা ম্যারিজ থেরাপিস্টের সাহায্য নেওয়া উচিত, বিশেষ করে যদি নিজেরা বসে আলোচনা করতে গিয়ে বারবার ঝগড়ায় গড়িয়ে যায় বা পুরনো ক্ষোভ নতুন করে উসকে ওঠে। একজন প্রশিক্ষিত মধ্যস্থতাকারীর উপস্থিতি অনেক সময় এমন কথাও বলতে সাহায্য করে যা দুজনে মুখোমুখি বসে বলার সাহস পান না। এই মানসিক জট নিয়ে কথা বলতে চাইলে আলশিফায় নিয়মিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট ৪৯৯ টাকায়, আর জরুরি প্রয়োজনে রাত ৭টা থেকে ১১টার মধ্যে ৯৯৯ টাকায় ওয়েবসাইট থেকে বুক করা যায়। রুকইয়াহ কোনো জাদুকরী সমাধান না, বরং মানসিক ও আধ্যাত্মিক ভারমুক্তির একটা সহায়ক মাধ্যম হতে পারে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সবসময় নিজেদেরই নিতে হয়। বাংলা কিউআর কোডে পেমেন্ট সম্পন্ন হলে যোগাযোগের নম্বর পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ফলাফল নিয়ে সততার সাথে কথা বলা

এটা স্বীকার করা প্রয়োজন যে প্রতিটা দম্পতির চেষ্টা সফল হবে এমন নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারে না। কিছু সম্পর্ক ধীরে ধীরে আগের চেয়েও দৃঢ় হয়ে ওঠে, কিছু ক্ষেত্রে যত চেষ্টাই করা হোক, বিশ্বাসের সেই মূল ভিত আর ফিরে আসে না। এখানে যা বলা হয়েছে তা কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক দিকনির্দেশনা ও বাস্তবসম্মত পরামর্শ মাত্র, পেশাদার কাউন্সেলিং বা প্রয়োজনে আইনি পরামর্শের বিকল্প না। নিরাময় ও প্রকৃত প্রশান্তি একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে, কোনো বশীকরণ, পাল্টা জাদু, তাবিজ বা তদবির-জাতীয় আমলের মাধ্যমে সঙ্গীর মন ফিরিয়ে আনার দাবি এখানে করা হচ্ছে না।

বিশ্বাস একবারে ভাঙে, কিন্তু ফিরে আসে ধীরে ধীরে, ইট গাঁথার মতো, একটার পর একটা সৎ সিদ্ধান্ত দিয়ে। নীলার মতো যারা এই ভাঙা বিশ্বাসের ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে নতুন করে শুরু করার সাহস খুঁজছেন, তাদের জন্য এটুকু জানা জরুরি যে এই যাত্রা দীর্ঘ, তবে অসম্ভব না, আর প্রতিটা ছোট পদক্ষেপই এই দীর্ঘ পথের গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন · রুকইয়াহ শারইয়্যাহ সার্টিফিকেট কোর্স

আরও পড়ুন

https://alshifa.bd/blog/rebuilding-trust-after-affair


নিরাময় একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে। রুকইয়াহ চিকিৎসার বিকল্প নয়, বরং সহায়ক। শারীরিক বা মানসিক উপসর্গে চিকিৎসকের পরামর্শও নিন।

© আল-শিফা · alshifa.bd · ফেসবুক পেজ