
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা বন্ধ রাখা — ইসলাম এ বিষয়ে কী বলে
সংসারে রাগ করে দিনের পর দিন কথা বন্ধ রাখার অভ্যাস ইসলামের দৃষ্টিতে কতটা গ্রহণযোগ্য, সূরা আর-রূম ও তিন দিনের হাদিসের আলোকে এই নীরবতা ভাঙার বাস্তব উপায়।
লিখেছেন হযরত মাওলানা আল আমিন · প্রকাশ · হালনাগাদ
নয় দিন ধরে মিতু আর রাফির মধ্যে একটা কথাও হয়নি। ঝগড়াটা শুরু হয়েছিল সামান্য একটা বিষয় নিয়ে, মিতুর ছোট বোনের বিয়েতে কী শাড়ি পরবেন তা নিয়ে রাফি হালকা রসিকতা করেছিলেন, মিতুর সেটা ভালো লাগেনি। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মিতু ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন, তারপর থেকে শুরু হয় এক অদ্ভুত নীরবতা। রাফি সকালে অফিসে যাওয়ার আগে সালাম দিলে মিতু জবাব দেন না, রাতে খাবার টেবিলে দুজন মুখোমুখি বসেন, অথচ কথা হয় না একটাও। বাচ্চাটা মাঝেমধ্যে জিজ্ঞেস করে, "আম্মু, তুমি আব্বুর সাথে রাগ করেছ কেন?" এই প্রশ্নের কোনো সদুত্তর মিতুর কাছেও নেই, শুধু জানেন তিনি হার মানতে চান না। রাতে ঘুমানোর আগে দুজনেই মোবাইলের স্ক্রিনে চোখ রেখে শুয়ে থাকেন, মাঝখানে যে দূরত্বটা তৈরি হয়েছে তা কেউ প্রথমে ভাঙার সাহস দেখাচ্ছেন না।
এই দৃশ্য অসংখ্য বাংলাদেশি সংসারে অচেনা কিছু না। ছোট একটা ঝগড়া থেকে শুরু হওয়া নীরবতা কখনো কখনো সপ্তাহ, এমনকি মাসের পর মাস টেনে নেওয়া হয়। ঘরে দুজন মানুষ থাকেন, একই বিছানায় ঘুমান, একই টেবিলে খান, অথচ কথা হয় না। এই অভ্যাসটা এতটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে অনেকে এটাকে সমস্যা হিসেবেই দেখেন না, ভাবেন এটাই বুঝি স্বাভাবিক দাম্পত্য কলহের অংশ, সময়ের সাথে এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু ইসলামের দৃষ্টিতে এই দীর্ঘ নীরবতা মোটেও ছোট কোনো বিষয় না।
বিয়ের উদ্দেশ্যের সাথে এই নীরবতার সরাসরি সংঘাত
কুরআনে দাম্পত্য সম্পর্কের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে আল্লাহ তায়ালা বলেন।
ওয়া মিন আয়াতিহি আন খালাক্বা লাকুম মিন আনফুসিকুম আজওয়াজান লিতাসকুনু ইলাইহা ওয়া জাআলা বাইনাকুম মাওয়াদ্দাতান ওয়া রাহমাহ — অর্থ: আর তাঁর নিদর্শনগুলোর মধ্যে একটি হলো, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদেরই মধ্য থেকে সঙ্গী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও, এবং তোমাদের মাঝে ভালোবাসা ও দয়া স্থাপন করেছেন। (সূরা আর-রূম, আয়াত ২১)
প্রশান্তি, ভালোবাসা আর দয়া, এই তিনটা শব্দ বিয়ের মূল লক্ষ্য হিসেবে এসেছে এই আয়াতে। দীর্ঘ নীরবতা ঠিক এর বিপরীত কাজ করে। ঘরে দুজন মানুষ থাকে, অথচ কেউ কারো সাথে কথা বলে না, এই পরিবেশে প্রশান্তি তো দূরের কথা, বরং একটা অদৃশ্য উত্তেজনা সারাক্ষণ চেপে থাকে। মিতু আর রাফির ঘরে সেই নয় দিনে যে চাপা অস্বস্তি জমে উঠেছিল, তা শুধু দুজনের মাঝে না, পুরো ঘরের বাতাসেই ছড়িয়ে পড়েছিল, বাচ্চাটার আচরণেও তার প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল।
রাগ সামলানোর বিরতি আর শাস্তিমূলক নীরবতা এক জিনিস না
একটা ঝগড়ার পর কিছুক্ষণ চুপ থাকা, মাথা ঠান্ডা করার জন্য সময় নেওয়া, এটা স্বাভাবিক এবং অনেক সময় প্রয়োজনীয়ও। উত্তেজিত অবস্থায় মুখ দিয়ে যা বের হয়ে যায়, তা পরে আফসোসের কারণ হতে পারে, তাই কিছুক্ষণ থেমে যাওয়াটা বিচক্ষণতার লক্ষণ। কিন্তু যখন এই নীরবতা দিনের পর দিন টেনে নেওয়া হয়, কথা বলা বন্ধ রাখাটাই যখন অন্যকে শাস্তি দেওয়ার হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তখন সেটা আর স্বাভাবিক থাকে না। "তুমি বুঝবে আমাকে অবহেলা করার ফল কী" এই মনোভাব নিয়ে সপ্তাহের পর সপ্তাহ চুপ থাকাটা সম্পর্কের ভেতরে ধীরে ধীরে একটা দেয়াল তুলে দেয়, যে দেয়াল পরে ভাঙতে অনেক বেশি সময় ও প্রচেষ্টা লাগে।
তিন দিনের হাদিস ও এর প্রকৃত প্রয়োগ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্ক ছিন্ন রাখার ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন।
লা ইয়াহিল্লু লি-মুসলিমিন আন ইয়াহজুরা আখাহু ফাওক্বা ছালাছাতি আইয়্যাম — অর্থ: কোনো মুসলিমের জন্য বৈধ না যে সে তার ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশি সম্পর্ক ছিন্ন রাখবে। (সহীহ বুখারী, হাদিস ৬০৭৬; সহীহ মুসলিম, হাদিস ২৫৬০)
এই হাদিস সাধারণভাবে সব ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, আর স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক তো সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। স্কলাররা এই নীতি স্বামী-স্ত্রীর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে ব্যাখ্যা করেন, বরং কারো কারো মতে এত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে এই সময়সীমা আরও কম হওয়া উচিত, কারণ একই ঘরে থেকে, একই বিছানায় ঘুমিয়ে দিনের পর দিন কথা না বলাটা বাইরের কারো সাথে সম্পর্ক ছিন্ন রাখার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিকর। ব্যতিক্রম শুধু সেই ক্ষেত্রে, যেখানে ইসলামি বিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোনো কারণে সাময়িক দূরত্ব রাখার নির্দেশনা আছে, যেমন গুরুতর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে সীমিত সময়ের জন্য শয্যা আলাদা রাখার বিধান, কিন্তু এটাও নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও সীমার মধ্যে, দিনের পর দিন কথা বন্ধ রাখার সাধারণ অভ্যাস না।
এই অভ্যাসের পেছনে কী কাজ করে
জেদ ও পরাজয় স্বীকার করতে না চাওয়া
অনেক দম্পতির কাছে কথা শুরু করাটাই যেন হার মেনে নেওয়ার সমান হয়ে দাঁড়ায়। "আমি কেন আগে কথা বলব, ও ভুল করেছে" এই চিন্তা থেকে দুজনেই অপেক্ষা করতে থাকেন কে প্রথমে নীরবতা ভাঙবে। এই প্রতিযোগিতায় সপ্তাহের পর সপ্তাহ পার হয়ে যায়, অথচ কেউই স্বীকার করতে চান না যে এই জেদটাই আসলে সম্পর্কের ক্ষতি করছে।
পারিবারিক পরিবেশ থেকে শেখা অভ্যাস
অনেকে নিজের বাবা-মায়ের সংসারেও এই একই প্যাটার্ন দেখে বড় হয়েছেন, রাগ হলে চুপ হয়ে যাওয়া, কথা বন্ধ করে দেওয়া। এই আচরণ তাদের কাছে স্বাভাবিক মনে হয়, কারণ এটাই তারা শিখেছেন সংঘাত সামলানোর একমাত্র পদ্ধতি হিসেবে। বাস্তবে এটা একটা শেখা অভ্যাস, যা সচেতন প্রচেষ্টায় বদলানো সম্ভব, তবে এর জন্য প্রথমে নিজের মধ্যে এই প্যাটার্নটা চিনে নেওয়া দরকার, নইলে অজান্তেই একই ভুল প্রজন্মের পর প্রজন্ম চলতে থাকে।
নীরবতাকে ক্ষমতার হাতিয়ার বানানো
কিছু ক্ষেত্রে নীরবতা সত্যিকারের রাগের চেয়ে বেশি একটা কৌশল হয়ে দাঁড়ায়, সঙ্গীকে অস্থির করে তোলার, তাকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার একটা উপায়। এই ধরনের নীরবতা সচেতন বা অবচেতনভাবেই একধরনের মানসিক নিয়ন্ত্রণের রূপ নিতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্কে গভীর অবিশ্বাস তৈরি করে।
দ্বন্দ্ব এড়িয়ে যাওয়ার মানসিকতা
কিছু মানুষ ছোটবেলা থেকেই শিখেছেন সংঘাত মানেই বিপদ, তাই কোনো মতবিরোধ দেখা দিলেই তারা সরাসরি আলোচনায় না গিয়ে পুরোপুরি সরে যান। এই প্রবণতা স্বল্প মেয়াদে স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে সমস্যাগুলো অমীমাংসিত থেকে যায়, একের পর এক জমতে থাকে, আর প্রতিটা নতুন ঝগড়া আগের সব পুরনো ক্ষোভ নিয়ে ফিরে আসে, যার ফলে সামান্য একটা বিষয়ও অনেক বড় বিস্ফোরণে রূপ নিতে পারে।
নীরবতা প্রকাশের ধরন পুরুষ ও নারীর মধ্যে ভিন্ন হতে পারে
অনেক পুরুষ ঝগড়ার পর শারীরিকভাবে সরে যান, ঘর থেকে বের হয়ে যান বা কাজে ডুবে যান, এতে তার কাছে মনে হয় তিনি পরিস্থিতি ঠান্ডা করার চেষ্টা করছেন, কিন্তু স্ত্রীর কাছে এটা উপেক্ষার মতো লাগে। অন্যদিকে অনেক নারী ঘরে থেকেও কথা বন্ধ রাখেন, যা স্বামীর কাছে সরাসরি শাস্তির মতো অনুভূত হতে পারে। দুজনের এই ভিন্ন প্রকাশভঙ্গি বোঝা গেলে একে অপরের আচরণকে ভুল ব্যাখ্যা করার সম্ভাবনা কমে যায়, আর সেই বোঝাপড়াটাই অনেক সময় প্রথম সমাধানের সূত্র হয়ে ওঠে।
নীরবতা ভাঙার বাস্তবিক উপায়
- রাগের মুহূর্তে চুপ থাকতে চাইলে সময়সীমা নিজেই ঠিক করে নিন, "আজ রাতটা একা থাকতে চাই" বলাটাও একধরনের কথা বলা, শাস্তিমূলক নীরবতা না
- কথা শুরু করার দায়িত্ব কার এই প্রশ্নে আটকে না থেকে যে কেউ প্রথম পা বাড়াতে পারেন, এতে ছোট হয়ে যাওয়ার কিছু নেই
- সরাসরি কথা বলতে না পারলে লিখে জানানোর চেষ্টা করুন, অন্তত যোগাযোগের রাস্তাটা বন্ধ রাখবেন না
- একই বিষয় নিয়ে বারবার নীরবতার প্যাটার্ন তৈরি হলে সেটা নিয়ে আলাদাভাবে, ঝগড়ার বাইরে গিয়ে শান্ত মাথায় আলোচনা করুন
- সন্তানদের সামনে এই নীরবতা প্রকাশ না করার চেষ্টা করুন, তাদের সামনে অন্তত প্রয়োজনীয় কথাবার্তা স্বাভাবিক রাখুন
নীরবতা ভাঙার প্রথম বাক্যটা প্রায়ই সবচেয়ে কঠিন মনে হয়। জটিল কোনো ব্যাখ্যা বা লম্বা ক্ষমা চাওয়ার বদলে সহজ একটা বাক্যই যথেষ্ট হতে পারে, যেমন, "চলো, এই বিষয়টা নিয়ে আর কথা বন্ধ রাখতে চাই না, একটু কথা বলি?" এই ধরনের সহজ প্রস্তাব অহংকারে বাধা না দিয়ে সম্পর্ক পুনরায় চালু করার একটা নিরাপদ পথ খুলে দেয়। প্রথম কথাটা কে বলবেন তা নিয়ে হিসাব না কষে, যিনি আগে প্রস্তুত হবেন তিনিই এগিয়ে আসতে পারেন, এতে সম্পর্কে কারো মর্যাদা কমে না, বরং বাড়ে।
যখন নীরবতার পেছনে জেদের চেয়ে বেশি কিছু থাকে
কখনো কখনো এই দীর্ঘ নীরবতার পেছনে জেদ বা রাগের চেয়ে বেশি কিছু থাকে, বিষণ্নতা, মানসিক ক্লান্তি, বা কথা বলার ভাষাই হারিয়ে ফেলা। আমাদের সমাজে অনেকে নিজের মানসিক কষ্ট প্রকাশ করতে পারেন না, ফলে সেই কষ্ট নীরবতা হয়ে বেরিয়ে আসে। এমন হলে সেটাকে স্রেফ সংসারের ঝগড়া না ভেবে মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও দেখা দরকার। যিনি নীরব থাকছেন তার মধ্যে ঘুমের সমস্যা, খাওয়ায় অনীহা বা সবকিছুতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলার মতো লক্ষণ থাকলে এটা সাধারণ অভিমানের চেয়ে অনেক গভীর কিছু হতে পারে। সঙ্গীর পক্ষ থেকে এই পরিস্থিতিতে রাগ করার বদলে উদ্বেগ নিয়ে এগিয়ে আসা, "তোমার কি কিছু হয়েছে, আমাকে বলা যাবে?" এই ধরনের প্রশ্ন করাটা অনেক সময় নীরবতার আসল কারণ বের করে আনতে সাহায্য করে।
কখন পেশাদার সাহায্য প্রয়োজন
নীরবতার এই প্যাটার্ন যদি বারবার ফিরে আসে এবং দুজনের কেউই নিজে থেকে ভাঙতে না পারেন, তাহলে একজন ম্যারিজ কাউন্সেলরের সাহায্য নেওয়া উচিত। কাউন্সেলিং একটা নিরপেক্ষ পরিবেশ তৈরি করে দেয়, যেখানে দুজনেই নিজের কথা বলার সুযোগ পান, একে অপরকে দোষারোপ না করে। যদি নীরবতার পেছনে বিষণ্নতার লক্ষণ স্পষ্ট হয়, তাহলে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়াও জরুরি হতে পারে, দেরি করলে সমস্যাটা আরও জটিল হয়ে দাঁড়াতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ঘরে চাপা অস্থিরতা, অকারণ দূরত্ব বা সম্পর্কে অস্বাভাবিক শীতলতা দেখা দিলে রুকইয়াহর মাধ্যমে সেই দিকটাও যাচাই করে দেখা যায়। আলশিফায় নিয়মিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট ৪৯৯ টাকায়, জরুরি ভিত্তিতে রাত ৭টা থেকে ১১টার মধ্যে ৯৯৯ টাকায় ওয়েবসাইটে বুক করা যায়, বাংলা কিউআর কোডে পেমেন্ট নিশ্চিত হলে যোগাযোগের নম্বর পাঠানো হয়।
নিশ্চয়তা নেই, তবু চেষ্টার মূল্য আছে
প্রতিটা দম্পতির জন্য নীরবতা ভাঙার প্রক্রিয়া একইভাবে সহজ হবে এমন নিশ্চয়তা নেই। কারো ক্ষেত্রে একটা ছোট কথাতেই বরফ গলে যায়, কারো ক্ষেত্রে বছরের পর বছর জমে থাকা অভিমান সহজে কাটে না। এখানে যা বলা হয়েছে তা কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক দিকনির্দেশনা ও ব্যবহারিক পরামর্শ মাত্র, পেশাদার কাউন্সেলিংয়ের বিকল্প না। নিরাময় ও প্রকৃত প্রশান্তি একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে, কোনো বশীকরণ, তাবিজ বা তদবির-জাতীয় আমলের মাধ্যমে সঙ্গীর মন গলিয়ে ফেলার দাবি এখানে করা হচ্ছে না।
যে ঘরে কথা বন্ধ, সেই ঘরে প্রশান্তিও বন্ধ হয়ে যায়। কুরআন যে সাকিনাতের কথা বলেছে, তার প্রথম শর্তই একে অপরের সাথে কথা বলা, একে অপরের অনুভূতি জানার চেষ্টা করা। মিতু আর রাফির মতো যারা এই নীরবতায় আটকে আছেন, তাদের জন্য প্রথম পদক্ষেপটা কঠিন মনে হলেও, সেই একটা বাক্যই আসলে ঘরে আবার প্রাণ ফিরিয়ে আনতে পারে, আর সেই সাহসটুকু দেখানোর জন্য বাইরের কোনো বড় ঘটনার দরকার হয় না, নিজের সিদ্ধান্তই যথেষ্ট।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন · রুকইয়াহ শারইয়্যাহ সার্টিফিকেট কোর্স
আরও পড়ুন
- স্বামীর রাগের মাথায় তালাক শব্দ বলে ফেলা: করণীয় ও ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি
- প্রবাসফেরত স্বামীর সংসারে মানিয়ে নিতে না পারা ও স্ত্রীর স্বাধীনতা নিয়ে দ্বন্দ্ব
- সন্তানেরা বড় হওয়ার পর দাম্পত্য জীবনে একঘেয়েমি ও দূরত্ব
- স্বামীর মাদকাসক্তি বা জুয়ার নেশায় সংসার ধ্বংসের মুখে: স্ত্রীর করণীয়
- তালাকের পর সন্তানের অভিভাবকত্ব নিয়ে মানসিক দ্বন্দ্ব ও ইসলামি নির্দেশনা
- বারবার গর্ভপাতের কারণে দাম্পত্য সম্পর্কে ফাটল ও মানসিক যন্ত্রণা
https://alshifa.bd/blog/silent-treatment-in-marriage-islamic-view